Logo
শিরেোনাম ::
ডুয়েট ছাত্রলীগ এর প্রচার সম্পাদকের চিকিৎসা বাবদ ৫০ হাজার টাকা দিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী চকবাজার ওয়ার্ড উপ-নির্বাচনে মনোনয়ন জমা দিলেন যারা তানোরে হাসপাতালে এ্যাম্বুলেন্স প্রদান BYFHA আয়োজিত Dengue Fever Eradication Campaign 2021 মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষ্যে অস্বচ্ছল সংস্কৃতিসেবীদের মধ্যে আর্থিক অনুদান বিতরণ কোম্পানীগঞ্জ বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সহ সভাপতি হলেন চেরাগ আলী ছাত্রলীগের উপর হামলা করায় অবশেষে প্রায় এক বছর পর যুবলীগ নেতা মঞ্জুর(৪০) গ্রেপ্তার পরকীয়া সম্পর্ক ছিন্ন করতে চাওয়ায় খুন শাহজাদপুরে বাবা-মায়ের কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন স্বপন এমপি আবারও অবরুদ্ধ বশেমুরবিপ্রবি উপাচার্য

পটিয়া থানার ওসি বদলী হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন থানার দালাল চক্র

পটিয়া উপজেলা প্রতিনিধি / ২০০২ বার
আপডেট সময় : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২০

পটিয়া উপজেলা প্রতিনিধি : নানা অভিযোগ অনিয়ম কার্যকলাপে বিতর্কিত (ওসি) বোরহান উদ্দিন অবশেষে বদলি।পটিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বোরহান উদ্দিন গত ৪ নভেম্বর পুলিশ দপ্তরে একটি অফিস আদেশে বদলি বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

এদিকে বিষয়টা নিয়ে দালাল চক্রগুলো এখন বিপাকে। পটিয়া থানা রাস্তার পশ্চিম দিকে ভবনের নিচ তলায় একটি কক্ষে চলত দালাল চক্রের মামলা মোকদ্দমা এবং ভূমি দখল নিয়ে নানা দরদাম। এ যেন একটি মামলা মোকদ্দমা নিয়ে হাটবাজার। দালাল চক্রের মধ্যে মূল হোতা নাজমুল হক। পিতা মৃত নুরুল হক। বাড়ি ১৩ নং দক্ষিণ ভূর্ষি ইউনিয়ন, খানমোহনা গ্রাম ২ নং ওয়ার্ড। তিনি আর্মির সিপাহী পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নিয়ে থানার দালাল চক্র গঠন করে এখন রমরমা ব্যবসা চালাচ্ছেন। সাথে অাছে দালাল চক্রের অন্যতম সহযোগী পটিয়া থানার এজাহার ভূক্ত মামলার আসামী মো হারুন ও অনান্য। তাদের মূল লক্ষ্য পটিয়া থানার দায়িত্ব প্রাপ্ত (ওসি), সার্কেল অফিসারদের নানা ধরনের অার্থিক প্রলোভন দেখিয়ে সরকারি দলের নেতাদের সহযোগিতায় মামলা মোকদ্দমা নিয়ে ব্যবসার পসরা সাজানো। আর এদের কার্যকলাপে ভুক্তভোগী হয়, ন্যায়বিচারের জন্য আসা স্হানীয় নিরীহ লোকজন। ভুক্তভোগী লোকজন জানান, কিছু মামলা ৩০-৪০ হাজার আবার মাঝে মাঝে লাখ টাকাও নিয়ে নেয় এই দালাল চক্রগুলো। এজাহার থেকে নাম বাদ দিতে ও চুক্তি হয় বিভিন্ন দামে। আসামি ধরে দেওয়া আলাদা দাম। ভূমি সংক্রান্ত জটিল বিষয়গুলো থানায় সমাধানের কথা বলেও নিরীহ লোকদের থেকে টাকা নিচ্ছে এই চক্রটি। এ যেন একটি রমরমা ব্যবসা। নাজমুল হক ভূয়া সার্টিফিকেট নিয়ে কখনও দাবী করে সরকারি সার্ভেয়ার আবার কখনও অবসর প্রাপ্ত সেনা অফিসার, কখনও রাজনৈতিক পরিচয়,আবার কখনও মুক্তিযোদ্ধাদের নামে সংগঠন করে মুক্তিযুদ্ধাদের ব্যবহার করছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে । যখন যেটা যেখানে ব্যবহার করা লাগে, সুযোগ বুঝে ব্যবহার করে। তথ্যসূত্রে পাওয়া গেছে, তাদের মামলা মোকদ্দমা থেকে নিজ ভাই এবং পরিবারও রেহাই পাইনি । ভূক্তভোগী হাইদগাওঁ ইউনিয়নের এক মহিলার থেকেও জায়গা দখল দেয়ার নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ এসেছে নাজমুল হকের বিরুদ্ধে। অন্য তথ্য সূত্রে জানা যায়, পটিয়া পৌরসভা বাহুলী ৭ নং ওয়ার্ডে তার ভাড়া বাসায় মহিলাদের দিয়ে অনৈতিক কার্যকলাপ ও অসামাজিক কলাপ চালাচ্ছেন তিনি।মামলা মোকদ্দমা দিয়ে মানুষ থেকে টাকা নেওয়ার মন্ত্র ভালো রপ্ত তাদের।
একেকজন দালাল চক্র, কয়েক ডজন মামলার বাদী। টাকা দিলে মামলা থেকে অব্যাহতি না হয় আদালত পর্যন্ত হয়রানি। বর্তমানে দালাল চক্র প্রধান সহযোগী হারুনকে দিয়ে স্হানীয় লোকজনের নামে মামলা করার অভিযোগ ও পাওয়া গেছে। উক্ত ভবনের আশেপাশে ব্যবসায়ীরা জানান সরকারি প্রশাসনকে ব্যবহার করে তারা এখন আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ। পটিয়ায় স্হানীয় কিছু নেতাদের সাথে বিষয়টা জানতে চাইলে তারা বলেন, ২০০১- ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিএনপি জোট সরকার আমলে মানুষ পটিয়া থানায় যে হয়রানি স্বীকার হয়েছিল বর্তমানেও তার ব্যাতিক্রম নয়। এ সমস্ত দালাল চক্র গোড়া থেকে যদি উৎপাটন করা না হয়,তাহলে আগামীতে এরা সরকার এবং পটিয়া থেকে বার বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য মাননীয় হুইপ আলহাজ্ব শামশুল হক চৌধুরীর উন্নয়নকে প্রশ্নবিদ্ধ করবে। দালাল চক্রের অফিসগুলো দ্রুত বন্ধ করে পটিয়া থানাকে দালাল মুক্ত করার জোর দাবী জানাচ্ছেন স্থানীয় নেতারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com