Logo
শিরেোনাম ::
বাবা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার কাছে কন্যার খোলা চিঠি শাহজাদপুরে কোটি টাকায় ২ কিলো রাস্তায় মাটি ভরাট -১৫ হাজার মানুষের চলাচলে চরম দূর্ভোগ করোনা রোগীদের অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডাঃসবুজ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ সিলেট বিভাগীয় কমিটি গঠ কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে ভেজাল বিটুমিন তৈরি কারখানায় অভিযান মালিক সহ ২জনকে কারাদন্ড এ্যাডভোকেট এ এম মোয়াজ্জেম হোসেন’র মৃত্যু বার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের শ্রদ্ধা নিবেদন পটিয়া জিরি ইউনিয়নে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে কেন্দ্রীয় নেতা বদিউল আলম প্লাস্টিক বর্জ্য সামুদ্রিক ও জলজ জীবনের সবচেয়ে বড় হুমকি কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কাশিনগর বাজারে নিরাপত্তার স্বার্থে সিসি ক্যামেরা উদ্বোধন কবিতাঃ “একটি স্বচ্ছ হৃদয়”

প্রতিষ্ঠার ৭ বছর পর কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উদ্যোক্তা নির্ধারণে তদন্ত কমিটি গঠনের রহস্য কী?

রিয়াজ কালাম, পেকুয়া উপজেলা প্রতিনিধি / ৭৭ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২০

পেকুয়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ- পর্যটন নগরী কক্সবাজারের একমাত্র উচ্চ বিদ্যাপীঠ কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিকে নিয়ে চলছে প্রাসাদ ষড়যন্ত্র। গত ২ জুন ২০২০ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা, প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টের সেক্রেটারি লায়ন মো: মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়েরের মধ্য দিয়ে ইউনিভার্সিটি ট্রাস্টের প্রাক্তন চেয়ারম্যান সালাহউদ্দীন আহমদ সিআইপি লকডাউন চলাকালে কতিপয় অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে অন্যায়ভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে একচ্ছত্র কর্তৃত্ব কায়েম করেন। এরপর তিনি ট্রাস্টকে পাশ কাটিয়ে নিজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা দাবি করে যোগ্য শিক্ষক-কর্মকর্তাদের অব্যাহতি দিয়ে নিয়োগ বাণিজ্য শুরু করেন। প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ৭ বছর পর নতুন করে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা নির্ধারণের জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন। সেই সূত্রে মন্ত্রণালয় ইউজিসি থেকে একটি তদন্ত প্রতিবেদন চেয়েছে। সম্প্রতি মিডিয়ায় প্রকাশিত তদন্ত কমিটির বক্তব্যে দেশবাসী বিষ্মিত হয়েছে। ইউজিসি কর্তৃক গঠিত তদন্ত টিমের পক্ষ হতে ২৯.০৯.২০২০ তাং প্রতিষ্ঠাতা লায়ন মো: মুজিবুর রহমানের সাক্ষাৎকার গ্রহণের জন্য ২১.০৯.২০২০ তারিখ ই-মেইলে এপয়নমেন্ট প্রদান করা হলেও পরদিন ২২.০৯.২০২০ তারিখ অজানা কারণে আবার সেই এপয়নমেন্ট বাতিল করা হয়।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে যে ইউজিসির তদন্ত দল লায়ন মো: মুজিবুর রহমানের বক্তব্য না নিয়েই মন্ত্রণালয়ে চূড়ান্তভাবে প্রতিবেদন পাঠিয়ে দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। গত ১৭.১০.২০২০ তাং দৈনিক বণিক বার্তা ও দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাস পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে তদন্ত দলের প্রধান ইউজিসি’র সদস্য প্রফেসর ড. দিল আফরোজা বেগম বলেন, “ আমরা তাকে ইন্টারভিউ’র জন্য ডেকেছি। তবে পরবর্তী সময়ে জানলাম, মুজিবুর মামলায় সাজা পেয়ে গ্রেফতার হয়েছে। তাই আমরা তার সাক্ষাৎকার বাতিল করি” । এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা লায়ন মো: মুজিবুর রহমান বলেন, “তদন্ত দলের আহ্বায়কের এমন জঘন্য মিথ্যা অপবাদে আমার মানহানি হয়েছে। তিনি কোথা থেকে এ তথ্য জেনেছেন তা প্রকাশ করতে হবে এবং কখন আমাকে গ্রেফতার করা হয়েছে তার প্রমাণ দিতে হবে। অন্যথায় আমাকে মানহানি করার কারণে আমি তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব। প্রকৃতপক্ষে ব্যবসায়িকভাবে ভুল বুঝাবুঝির কারণে আমার বিরুদ্ধে একটি চেকের মামলার রায় হয়; এ বিষয়টি জানার সাথে সাথে আমি তা সমাধান করে ফেলি। তিনি আরো বলেন, তদন্ত দলের আহ্বায়কের এমন একপেশে ভূমিকার প্রতিকার চেয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আমি ১৮.১০.২০ তারিখ ইউজিসি চেয়ারম্যান বরাবর চিঠি দিয়েছি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নথিপত্র যাচাই করে জানা যায়, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ২০১৩ সালে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নীতিমালা-২০১০ এর আলোকে লায়ন মো: মুজিবুর রহমানের কয়েক কোটি টাকা আর্থিক অনুদানে ‘কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ট্রাস্ট’ গঠিত হয়। এসময়কার ইউজিসি প্রতিবেদনে এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সিদ্ধান্তে এর সত্যতা পাওয়া যায়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমাকৃত কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রপোজাল বহিতে প্রতিষ্ঠাকালীন ট্রাস্টিগণের নাম-ঠিকানা রয়েছে। তাতে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে লায়ন মো: মুজিবুর রহমানের নাম-ঠিকানাসহ সংক্ষিপ্ত পরিচিতি স্থান পেয়েছে এবং তার বরাবরই কর্তৃপক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার চিঠি ইস্যু করেছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যাবধি (প্রায় ৭ বছর) মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি লায়ন মো: মুজিবুর রহমানকে উদ্যোক্তা/প্রতিষ্ঠাতা উল্লেখ করে যাবতীয় চিঠিপত্র ইস্যু করে। এ যাবতকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল প্রকাশনা, শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থী এবং প্রিন্ট ও ইলেকক্ট্রিক মিডিয়া সর্বোপরি সর্বস্তরের জনগণ কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে লায়ন মো: মুজিবুর রহমানকে সম্বোধন করে আসছে এবং সেভাবেই তিনি সকল দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এতদসত্ত্বেও আওয়ামী লীগ নেতা সালাহ উদ্দীন আহমদ সিআইপি কোন্ ক্ষমতা বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ৭ বছর পর উদ্যোক্তা ও প্রতিষ্ঠাতা নির্ধারণের জন্য পুনরায় নতুন করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন এবং মন্ত্রণালয় ও ইউজিসি এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে -তার রহস্যইবা কী বৃহত্তর চট্টগ্রামবাসী তা জানতে চায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com