Logo
শিরেোনাম ::
ইঞ্জিঃ মোহাম্মদ হোসাইনের সহায়তায় হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরন আই.ই.বি ও ম্যাক্স গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে চাঁদপুরে ৬০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান চট্টগ্রামে অক্সিজেন ও এম্বুলেন্স সেবা দিয়ে করোনা রোগীর পাশে ছাত্রলীগ ডুয়েটের প্রো-ভিসি পদে নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রশিদ চট্টগ্রামে করোনা রোগীর পাশে ছাত্রলীগ উপজেলা চেয়ারম্যানের আয়োজনে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন পালন গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সবুজের নেতৃত্বে অভিনব প্রতারক গ্রেফতার রাজশাহীর তানোরে আমন ধানের চারা রোপনে ব্যাস্ত চাষীরা রাজশাহীতে নির্মাণ করা হচ্ছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক

এলএ অফিসের ১৩ দালালকে দুদকে তলব : পেকুয়ায় শীর্ষ দালাল নাছির এখনো অধরা

রিয়াজ কালাম, পেকুয়া উপজেলা প্রতিনিধি / ৬১ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০

পেকুয়া উপজেলা প্রতিনিধিঃ- পেকুয়ায় এলএ অফিসের শীর্ষ দালাল নাছির উদ্দিন অধরা করন এখনো এ প্রশ্ন সবার। কক্সবাজারের এলএ অফিসের ১৩ দালালকে দুদকে তলব করা হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণকে পুঁজি করে একটি শক্তিশালী দালালচক্রের আবির্ভাব হয়েছে। এ সব দালালদের হাতে মানুষ প্রতারিত হয়েছে। নি:স্ব হয়েছে শত শত ভূমির মালিক। দলিল ও কাগজপত্র জাল জালিয়ত করে ওই দালালচক্র মধ্যস্বত্তভোগী হিসেবে সাধারন মানুষ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
সারা দেশে দুর্ণীতির বিরুদ্ধে এ্যাকশন চলমান রয়েছে। এর প্রেক্ষিতে এলএ শাখা কক্সবাজারের সক্রিয় দালালদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। দুর্ণীতি দমন কমিশন (দুদক) ওই শাখার ১৩ দালালকে তলব করে। দুদক কার্যালয়ে হাজির থাকতে পৌছানো হয়েছে সমন।
এ দিকে পেকুয়ায় এলএ অফিসের শীর্ষ দালাল নাছির উদ্দিন এখনো অধরা থেকে গেছে। ওই দালালের হাতে পেকুয়াসহ জেলার বিপুল মানুষ প্রতারিত হয়েছে। টাকা পাইয়ে দেয়ার কথা বলে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিপুল টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আবার কন্টাকের মাধ্যমে প্রকৃত মালিকদের অধিগ্রহণ টাকা আটকিয়ে দিতেও কন্টাক নেন ওই দুর্দান্ত প্রতারক নাছির উদ্দিন। তার এহেন কর্মকান্ড ও হয়রানিতে মানুষ অতিষ্ট পেকুয়ায়।

গত ২ বছর ধরে দালাল নাছিরকে নিয়ে জেলার একাধিক সংবাদ মাধ্যমে দুর্নীতির সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছে। এলএ অফিসের সার্ভেয়ারসহ কিছু দুর্ণীতিবাজ কর্মকর্তা নাছিরের এ সব কাজকে এগিয়ে দেন। মাসোয়ারা ও ঘুষ নিয়ে এলএ অফিসের অসাধু কর্মকর্তারা নাছিরের জাল জালিয়তিকে তারা নিয়মে পরিণত করেন। এ দিকে পেকুয়ায় সেই দালাল নাছিরের হাতে প্রতারিত মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে।
দালালদের বিরুদ্ধে দুদক ব্যবস্থা নিচ্ছে এ খবরে মানুষের মাঝে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। দালালদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক এ্যাকশন হচ্ছে এমন খবরে মানুষ আস্থাশীল হয়েছে। তারা দ্রুত সময়ে ওই দালালদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা হউক এমন প্রত্যাশী। পেকুয়ায় বারবাকিয়া মৌজায় নাছিরের বিরুদ্ধে অভিযোগ বিস্তর। সবজীবনপাড়ার মৌলানা হাসান শরীফ নামক এক ব্যক্তি জানান, নাছির আমার টাকাও আটকিয়ে দিয়েছে।
এলএ অফিস আমাকে নোটিশ দিয়েছে। দুই খতিয়ানের ৯ শতক জায়গা অধিগ্রহণ হয়েছে। ওই জায়গা আমার খরিদ ও পৈত্রিক সুত্র অংশ। ৩০-৪০ বছর যাবৎ ওই জায়গা আমি ও আমার পরিবার ভোগ দখলে আছি। সরকার গ্যাস সঞ্চালন লাইন স্থাপনের জন্য ওই জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়েছে। রোয়েদাদ ও আছে। কিন্তু নাছির উদ্দিন নামক ওই দালালের কারণে এখন আমার টাকা আটকে আছে। নাছির উদ্দিন আমার কাছ থেকে অর্ধেক টাকা দাবী করে। আমি ঘুষ দিচ্ছি না। তাই আমার ফাইলটি আটকিয়ে রেখেছে। সে ফক্সি কিছু কাগজপত্র উপস্থাপন করেছে।
পেকুয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বারবাকিয়া গ্রাম আদালত তার দাবীর প্রেক্ষিতে মতামত ও রায় প্রচার করে। সেখানে তার কোন জায়গা অথবা এর উপযুক্ত কাগজপত্র নাই মর্মে সিদ্ধান্ত হয়েছে। নাছির উদ্দিন আরো বহু মানুষকে হয়রানি করছে। তার ক্ষমতা এত বেশী যে, কেউ তার বিরুদ্ধে মুখ খোলার সাহস পায়না। কেউ প্রতিবাদ করলে হামলা ও মামলা মোকদ্দমার ভয় দেখায়। আমরা ওই দালালকেও দুদকের মাধ্যমে তলব চাই। আমি দুদক ও র‌্যাবকে লিখিত অভিযোগ দেব। এ দালালের বিরুদ্ধে আইনী প্রতিকার চাইব।
এ ব্যাপারে জানতে মুঠোফোনে নাছির উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হয়। তিনি এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমি এখন কাজ করিনা। এলএ অফিসে আমার কিছু নিজের কাজ রয়েছে। কয়েকজন ব্যক্তি আমাকে কাগজপত্র জমা দিয়েছিল। আমি এদেরকে জবাব দিয়ে দিয়েছি এখন কাজ করিনা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com