Logo
শিরেোনাম ::
সিমোশএমসিতে ইন্টার্ন ডক্টরস রিসেপশন সম্পন্ন বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন-২০২২ তানোরে চোলাই মদ ও পলাতক আসামি গ্রেফতার হাজীগঞ্জ শাহরাস্তিতে ইঞ্জিঃ মোহাম্মদ হোসাইনের শীতবস্ত্র বিতরন বটবৃক্ষের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরন ডুয়েটে অনুষ্ঠিত হলো “শহীদ মোস্তফা এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২১” শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন করলেন ইঞ্জিঃ মোহাম্মদ হোসাইন পটিয়া উপজেলায় বিভিন্ন এতিমখানার ছাত্রদের মাঝে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা বদিউল আলমের শীতবস্ত্র বিতরণ শাহজাদপুর প্রিমিয়ার লীগ সিজন-২ শুরু ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ড ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছাত্রলীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে

২১শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে ছাত্রলীগ নেতা বাবুর নেতৃতে ছাত্রলীগের বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী

আরমান হোসেন আকাশ, দাউদকান্দি উপজেলা প্রতিনিধি / ৩২৫ বার
আপডেট সময় : শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২০

দাউদকান্দি উপজেলা প্রতিনিধিঃ- আজ শুক্রবার (২১শে আগষ্ট) ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে দাউদকান্দিতে নিহত শহীদদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ছাত্রলীগ নেতা রবিউল সরকার বাবু।

কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের উপ-বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক, হাসানপুর শহীদ নজরুল সরকারি ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক , দাউদকান্দি উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জনাব, রবিউল সরকার বাবু তার বক্তব্যে তিনি বলেন, ২১শে আগস্ট আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করার জন্যই সন্ত্রাসবিরোধী শান্তি সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালিয়ে সেদিন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টাসহ আওয়ামী লীগকে ধংস করতে চেয়েছিল। ভাগ্যগুণে সেদিন শেখ হাসিনা বেঁচে যান। এ গ্রেনেড ও জঙ্গি হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান। তারেক রহমান এখনো লন্ডনে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন।
তিনি আরও বলেন ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার সঙ্গে জড়িত সব খুনিদের অবিলম্বে ফাঁসি কার্যকর করসহ যারা বিদেশে পালিয়ে আছে তাদেরও দেশে ফিরিয়ে এনে ফাঁসি কার্যকরের দাবি জানান তিনি।

আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগ,আওয়ামী যুবলীগ,ছাত্রলীগ সহ ভিবিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা।

উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশে জড়ো হয়েছিলেন সিনিয়র নেতারা। দলটির প্রধান এবং তখনকার বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনা ছিলেন ওই সমাবেশের প্রধান অতিথি। আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে রাস্তায় একটি ট্রাকে অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করা হয়েছিল। বিকাল ৩টা থেকে দলটির কিছু মধ্যম সারির নেতা বক্তব্য দেয়া শুরু করেন।

বিকাল ৪টার দিকে শুরু হয় আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতাদের বক্তব্য দেয়ার পালা। দলীয় সভানেত্রী শেখ হাসিনা তখনও এসে পৌঁছাননি। দলের নেতাকর্মী এবং সমর্থকরা শেখ হাসিনার বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় ছিলেন। শেখ হাসিনার বক্তব্য শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দফায়-দফায় বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকা কেঁপে ওঠে। সমাবেশে উপস্থিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রথমে বুঝতে পারেননি যে এটি ছিল গ্রেনেড হামলা। অনেকেই ভেবেছিলেন বোমা হামলা। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে আঁচ করেছিলেন।

যখন গ্রেনেড হামলা শুরু হয়, তখন মঞ্চে বসা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা শেখ হাসিনার চারপাশে ঘিরে মানবঢাল তৈরি করেন, যাতে তার গায়ে কোনো আঘাত না লাগে।

যেসব নেতা শেখ হাসিনাকে ঘিরে মানবঢাল তৈরি করেছিলেন, তাদের মধ্যে ছিলেন ঢাকার সাবেক মেয়র মোহাম্মদ হানিফ। তখন হানিফের মাথায় গ্রেনেডের আঘাত লেগেছিল। পরে ২০০৬ সালের শেষের দিকে তিনি মারা যান। গ্রেনেড হামলায় আহত হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী আইভি রহমান, যিনি পরে মারা যান। ওই গ্রেনেড হামলায় ২৪ জন নিহত হন। এতে আহত হন আরও অনেকে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com
P