Logo
শিরেোনাম ::
বাবা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার কাছে কন্যার খোলা চিঠি শাহজাদপুরে কোটি টাকায় ২ কিলো রাস্তায় মাটি ভরাট -১৫ হাজার মানুষের চলাচলে চরম দূর্ভোগ করোনা রোগীদের অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডাঃসবুজ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ সিলেট বিভাগীয় কমিটি গঠ কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে ভেজাল বিটুমিন তৈরি কারখানায় অভিযান মালিক সহ ২জনকে কারাদন্ড এ্যাডভোকেট এ এম মোয়াজ্জেম হোসেন’র মৃত্যু বার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের শ্রদ্ধা নিবেদন পটিয়া জিরি ইউনিয়নে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে কেন্দ্রীয় নেতা বদিউল আলম প্লাস্টিক বর্জ্য সামুদ্রিক ও জলজ জীবনের সবচেয়ে বড় হুমকি কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কাশিনগর বাজারে নিরাপত্তার স্বার্থে সিসি ক্যামেরা উদ্বোধন কবিতাঃ “একটি স্বচ্ছ হৃদয়”

“লেখা থেকে কিছু অংশ “

মোঃ রিয়াদ আহমদ , বার্তা সম্পাদক / ২০০ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২০

লেখকঃ- ড. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান চৌধুরী

এখন প্রতিদিন সেলফি আর সেলফি। সংখ্যায় কত, তার কোনো ইয়ত্তা নেই। প্রাচীনকালের গোমরা মুখে হাল আমলে হাসি ফুটেছে। যদিও এ হাসি কৃত্রিম। মুখটা হাসি হাসি থাকলেও ভিতরটা অস্থির, অস্বস্তিকর। আগে মানুষের ছবিতে মুখে হাসি না থাকলেও মনের ভিতরে হাসি ছিল। আনন্দ ছিল। এখন বাইরের মুখটায় হাসি আর মনের ভিতরে বিষণ্নতা, লোভ, আক্রোশ, প্রতিযোগিতা, প্রতিহিংসা, স্বার্থপরতা।

আমাদের দেশে নটবরলালের থেকেও বড় প্রতারকের জন্ম হয়েছে। এই বহুরূপী ঠগরা বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির সঙ্গে ছবি তুলে সেগুলো তার তথাকথিত অফিস ও বাসায় খুব যতেœ ফ্রেমবন্দী করে ঝুলিয়ে রাখছে। এর মাধ্যমে তারা সাধারণ মানুষকে বোঝাতে চাচ্ছে, তাদের সঙ্গে রয়েছে প্রভাবশালী মহলের নিবিড় যোগাযোগ। খুব ভালো সম্পর্ক আছে। পুরোটাই হয়তো ঠকামি। কারণ যাদের সঙ্গে ছবিগুলো তুলছে তারা হয়তো এ বিষয়টা বুঝতেই পারেননি। এর অর্থ হচ্ছে, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা হয়তো জানেনও না, তাদের ছবি বিক্রি করে ঠগরা ক্ষমতাধর ও দুর্নীতিবাজ হয়ে উঠছে। তাদের নাম ভাঙিয়ে যা ইচ্ছা তাই করে বেড়াচ্ছে। এখন ছবি তোলার ক্ষেত্রে সতর্কতা প্রয়োজন বলে প্রতীয়মাণ হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে ভাবার সময় এসেছে। অন্য আরেকটি বিষয় এখানে উল্লেখযোগ্য, তা হলো- একজন মানুষ যোগ্য কি অযোগ্য, সাধু কি শয়তান, ঠগ না সৎ তা লোকটার প্রকৃত গুণাবলি দিয়ে নির্ধারিত হচ্ছে না; বরং ব্রিফকেসের টাকার নোট দিয়ে মূল্যায়িত হচ্ছে। তার মানে, মানুষটা এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়, অনেকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে তার টাকাটা। যার অবৈধ টাকা যত বেশি তার গ্রহণযোগ্যতা তত। এমন একটা অশুভ মনস্তত্ত্ব মানুষের মধ্যে কাজ করছে। এর ফলে আমরা প্রকৃত মেধাবী ও গুণীদের হারাচ্ছি আর অর্থশালী ভুঁইফোড় লোকদের প্রাধান্য দিয়ে রাষ্ট্র ও সমাজের কল্যাণের দিকটি উপেক্ষা করছি। ধীরে ধীরে প্রকৃত রাজনীতিবিদরা এদের সঙ্গে টাকার অঙ্কে পাল্লা দিয়ে পেরে উঠতে পারছেন না বলে পিছিয়ে পড়ছেন। এর জন্য রাজনীতিবিদরাও কম দায়ী নন।

সময় এসেছে এই সুবিধাবাদীদের চিহ্নিত করে তাদের সেলফির হাসিমুখ, পেছনের অদৃশ্য হাত, অদৃশ্যের ভিতরে অদৃশ্যের ঝাপসা শক্তিকে টেনে বের করে এনে সমাজ ও রাষ্ট্রকে বিশুদ্ধ করার। তবেই মুক্তি, না হলে বৃত্তের ভিতর বৃত্তের অদৃশ্য সমীকরণ সৃষ্টি হতেই থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com