Logo
শিরেোনাম ::
ইঞ্জিঃ মোহাম্মদ হোসাইনের সহায়তায় হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরন আই.ই.বি ও ম্যাক্স গ্রুপের যৌথ উদ্যোগে চাঁদপুরে ৬০টি অক্সিজেন সিলিন্ডার প্রদান চট্টগ্রামে অক্সিজেন ও এম্বুলেন্স সেবা দিয়ে করোনা রোগীর পাশে ছাত্রলীগ ডুয়েটের প্রো-ভিসি পদে নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুর রশিদ চট্টগ্রামে করোনা রোগীর পাশে ছাত্রলীগ উপজেলা চেয়ারম্যানের আয়োজনে সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন পালন গোদাগাড়ী উপজেলা পরিষদের মাসিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সবুজের নেতৃত্বে অভিনব প্রতারক গ্রেফতার রাজশাহীর তানোরে আমন ধানের চারা রোপনে ব্যাস্ত চাষীরা রাজশাহীতে নির্মাণ করা হচ্ছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক

১৮ পুলিশ সদস্যের করোনা জয়ের গল্প

প্রকৌশলী মাহবুব আলম-মুকসুদপুর উপজেলা প্রতিনিধি / ১৯৬ বার
আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২০

গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন ১৮ পুলিশ সদস্য । মঙ্গলবার (১২ মে) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোপালগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ।
গত ৯ এপ্রিল করোনার উপসর্গ নিয়ে মুকসুদপুর থানার পুলিশ কনেস্টবল মহিউদ্দিন আহম্মেদ ছুটি নিয়ে মানিকগঞ্জের নিজ বাড়ি যান এবং সেখানে গিয়ে করোনার নমুনা পরীক্ষায় করোনা ধরা পড়ে।
এরপরই ওই থানার ৭১ সদস্যকে হোম কোয়ারেন্টাইনে নিয়ে করোনার পরীক্ষা করলে ৩ জন অফিসার, ১৫ কনেস্টবল সহ মোট আঠার জনের‍ শরীরে করোনার পজেটিভ রিপোর্ট পাওয়া যায়।
দীর্ঘদিন ধরে হোম কোয়ারেন্টাইন, নিরাপদ দুরত্ব বজায় রাখা, পরিস্কার পরিছন্ন থাকা, গরম পানি খাওয়া, নিয়‌মিত ঔষধ সেবন করা চি‌কিৎসকদের পরামর্শ নিয়ে করোনাকে জয় করেন তারা। দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন তারা। দেশের সেবাসহ নিজেদের পরিবারের মধ্যে ফিরে গিয়েছেন । এটা সম্ভব হয়েছে তাদের একাগ্রতা ও সঠিক মনোবলের কারণে।
জেলা সিভিল সার্জন জানান, গোপালগঞ্জে আক্রান্ত ১৮ জনের মধ্যে একজন মানিকগঞ্জে, ১৭ জন গোপালগঞ্জে ও আরো একজন ঢাকার পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। তারা সকলে সুস্থ হয়ে উঠেছেন। ঢাকার পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া অপর পুলিশ সদস্য দ্রুত সুস্থ হবার পথে। তিনি পুলিশ সদস্যদের মত সকলকে দৃঢ় মনোবল নিয়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলার আহবান জানান।
এরই মধ্যে গত ১১ই মে ২০২০ এই উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের নলডাঙা নাকম একটি গ্রামে দুজন করোনা রোগী সনাক্ত হয়। এরা হলেন অনিল বিশ্বাস ও অন্যজন তার ভাই মিঠুন বিশ্বাস। অনিল বিশ্বাস নারায়ণগঞ্জে পুলিশ কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন। তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে তার নিজ গ্রামে আসেন । করোনা সনাক্ত হবার পর পুলিশ সম্পূর্ণ এলাকাকে লকডাউন করে দিয়েছেন বলে জানান মুকসুদপুর থানার ওসি মির্জা আবুল কালাম আজাদ।
করোনা প্রাদুর্ভাব যাতে উপজেলায় বাড়তে পারে এজন্য বিভিন্ন নিয়মের মধ্যে সকলকে আনা হয়েছে। তারই অংশ হিসাবে ১৩ই মে থেকে উপজেলার সকল দোকান ও শপিংমল সকাল ৬ টা হইতে দুপুর ১ টা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে সাদবাদ জানিয়েছে সকল ব্যবসায়ী সংগঠন ও উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com