Logo
শিরেোনাম ::
শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিনে রাজশাহী জেলা ছাত্রলীগের আলোচনা সভা ও দোয়া গাউছিয়া অটো রাইচ মিল মালিকের পক্ষ থেকে পটিয়া মুন্সেফ বাজারে পণ্য বিক্রয় কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন গরীব,দুস্থ ও জেলেদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় ডুয়েটের ১৯ শিক্ষক বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় পবিপ্রবির ২৩ শিক্ষক তানোর উপজেলা বাসীকে শারদীয় দূর্গা পূজার আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবলীগ নেতা মঈনুদ্দীন সোনার বাংলা সমাজকল্যাণ সংস্থার নতুন সভাপতি মোঃ আবুল হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল হাসান শ্রীমঙ্গলে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী ভানুর জয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য মা ইলিশ রক্ষার বিকল্প নেই: হোসাইন ডুয়েটে ২০২০-২১ সেশনের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

“ওয়ার্ড ছাত্রলীগ কর্মী থেকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা অতঃপর জাতীয় নেতা”- আমিনুল ইসলাম আমিন

অনিন্দ্য বৈদ্য সানি / ৫৩৬ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ১৩ মে, ২০২০

চীফ ব্যুরো চট্টগ্রামঃ বলছি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক জননেতা জনাব আলহাজ্ব আমিনুল ইসলাম আমিন ভাইয়ের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের কথা। যিনি পিতার অনুপ্রেরণায় সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধুর প্রেমে পড়ে অতঃপর কৈশোর বয়সেই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন।

সর্বপ্রথম ১৯৮০ সালে ঘাটফরহাদবেগ খলিফা পট্টি ইউনিট ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালনের মধ্যে দিয়ে ছাত্রলীগের কর্মী থেকে নেতা নির্বাচিত হন। অতঃপর ১৯৮১ সালে বর্তমান চ.সি.ক ২০ নং দেওয়ান বাজার ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। ছাত্ররাজনীতির প্রতি দায়িত্ববোধ ও চরম বঙ্গবন্ধু প্রেমীর কারণে ১৯৮২ সালে ৩৭ সদস্য বিশিষ্ট চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের কমিটিতে সর্বকণিষ্ট কার্যনির্বাহী সদস্য মনোনীত হন। তিনি চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির পর পর দুইটি কমিটিতে ছিলেন। প্রথম কমিটিতে কার্যনির্বাহী সদস্য(আলতাফ হোসেন বাচ্চু-আ.জ.ম. নাসির উদ্দিন কমিটি; ১৯৮২ সাল) ও পরবর্তী কমিটিতে সহ-সাধারণ সম্পাদক(রফিকুল হোসেন বাচ্চু-গোলাম মোস্তফা কমিটি; ১৯৮৪ সাল) ছিলেন।

পড়াশুনায় মেধার স্বাক্ষর রেখে, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের Public Administration বিভাগে ভর্তি হবার পর সেখানেও ছাত্ররাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের চারটি কমিটিতে আমিন ভাই দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রথমে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কমিটিতে সদস্য(হাবিবুর রহমান(বহিষ্কৃত), শাহে আলম (কার্যকরী)–আসীম কুমার উকিল; ১৯৮৮ সাল) ছিলেন, এর পরবর্তী কমিটিতে গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক(মাঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরী-ইকবালুর রহিম; ১৯৯২ সাল)ছিলেন, এর পরবর্তী কমিটিতে সহ-সভাপতি(এ. কে. এম. এনামুল হক শামীম–ইসহাক আলী খাঁ পান্না; ১৯৯৪ সাল) ও সর্বশেষ কমিটিতে প্রথম সহ-সভাপতি(বাহাদুর বেপারী-অজয় কর খোকন; ১৯৯৮ সাল) পদ অলংকিত করেছিলেন। ২০০২ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৫ তম জাতীয় সম্মেলনে আমিনুল ইসলাম আমিন ভাই সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহবায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। উনার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ২৫ তম জাতীয় কাউন্সিল সুষ্ঠ, সুন্দর ও সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছিল। ছাত্ররাজনীতিতে এতটা ক্যারিসমেটিক লিডার শিপ কয়জন ছাত্রনেতার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে আছে তা আমার সঠিক জানা নাই।

উনার সফল ও দীর্ঘ ছাত্রনেতৃত্বে খুশি হয়ে ২০০২ সালেই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক পদে মনোনীত হবার মধ্য দিয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা উনাকে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সর্বপ্রথম প্রত্যক্ষ ভাবে সংযুক্ত করেছিলেন। দীর্ঘদিন জননেত্রী শেখ হাসিনার কর্মী হিসেবে প্রত্যক্ষ ভাবে ছাত্ররাজনীতি করার সুবাদে ২০০৯ ও ২০১২ সালের আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে জননেত্রী শেখ হাসিনা উনাকে পর পর দুই মেয়াদে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মনোনীত করেন।

২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচন চলাকালীন সময়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে জনাব আমিনুল ইসলাম আমিন ভাই অস্থায়ী ভাবে আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

পরবর্তীতে ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিলে জননেত্রী শেখ হাসিনা উনাকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মনোনীত করেন। হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু অতঃপর সততা, দূরদর্শিতা ও কঠোর পরিশ্রমের কারণে রাজনীতির মাঠে উনাকে কখনও পিছনে ফিরে তাকাতে হয় নি। ছাত্রলীগ দিয়ে শুরু করে বর্তমানে উনি জাতীয় নেতা। সততার রাজনীতি করেছেন তাই উনি বড় ব্যবসায়ী বা অগাধ টাকার মালিক হতে পারে নাই এটা সত্য; তবে জননেত্রী শেখ হাসিনার কর্মী হিসেবে উনি আমাদের প্রধানমন্ত্রী থেকে সঠিক রাজনৈতিক শিক্ষা নিতে পেরেছেন বলেই বর্তমানে প্রায় প্রতিদিন কোন না কোন টি.ভি চ্যানেলে আমিন ভাইয়ের টক-শো লেগেই রয়েছে। টক-শোতে নিজের বুদ্ধিমাত্তা, দলের প্রতি কমিটমেন্ট ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে সঠিক ভাবে যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে ব্যাপক পারদর্শী এই নেতা আজ দেশের মানুষের গন্ডি পেরিয়ে বহিঃবিশ্বের বাঙ্গলীদের হৃদয়ের গহিনে জায়গা করে নিয়েছেন।সর্বশেষ ২০১৯ সালের ২৬শে ডিসেম্বর পুনঃরায় বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের উপ-প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন।

আমি বিশ্বাস করি, খুব শীঘ্রই জাতীয় সংসদে আমিন ভাইয়ের রুচিশীল ও সাংবিধানিক বক্তব্য শুনে; দেশবাসী আনন্দের সাথে সেই বক্তব্য উপভোগ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

One response to ““ওয়ার্ড ছাত্রলীগ কর্মী থেকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা অতঃপর জাতীয় নেতা”- আমিনুল ইসলাম আমিন”

  1. মোহাম্মদ মোহসীন।সহকারি অধ্যাপক,রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ। says:

    আমিন আমার ছাত্র জীবনের বন্ধু,মেধাবী তো বটেই,অত্যন্ত সহনশীল,দায়িত্বপরায়ন,অমায়িক এক কথায় নেতৃত্বের সব গুন যার মাঝে বিদ্যমান।১৯৮২ সাল থেকে এক সাথে পড়াশুনা রাজনীতির প্রতি প্রচন্ড ঝোঁক তার মতো আমাদের অন্য কারো মধ্যে তেমন ছিলোনা।তখন এরশাদ ক্ষমতায় ঘরোয়া রাজনীতি নামে এরশাদের রাজনীতির দুয়ার খুলতে শুরু করেছে। আমিন সেই এতটুকু, কী দুঃসাহস নিয়ে মুসলিম হলে এরশাদ গংদের ঘরোয়া মিটিং এ আমাদেরকে সাথে নিয়ে মিটিংয়ে উপস্থিত। কিছুক্ষণ পর দেখলাম আমিনের শ্লোগান জয় বাংলা অমনি মঞ্চ থেকে পাল্টা পাল্টি মিটিং শেষ।আমিনের বয়স আমরা সকলেই চৌদ্দ কারো পার হয়নি।তার দুর্দান্ত সাহস আর রাজনৈতিক বিচক্ষণতা সেদিন টের পাই বন্ধু এগিয়ে যাও জয় তোমার হবে।বন্ধু বলে কিছু বাড়িয়ে লিখি নাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com