Logo
শিরেোনাম ::
ভেটেরিনারিয়ানদের নিয়ে কটুক্তি করার প্রতিবাদে পবিপ্রবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত প্রবাসী ছোট ভাই কে না পেয়ে বড় ভাই কে মারধর ও হত্যার হুমকি তানোরে লক্ষিত সুফলভোগী মানুষের মাঝে ৫৮ টি বকনা গরু বিতরণ কোছাক কতৃক সাহিত্য প্রকাশনা “স্বপ্ন” ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন উদ্বোধন করেন এড. মাহফুজুর রহমান ডুয়েট সিএসই বিভাগের নবীন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত রামগঞ্জ উপজেলার ৪ নং ইছাপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সভাপতির মৃত্যু প্রবাসীর স্ত্রীকে ইলেকট্রনিক্স ব্যবসায়ীর প্রাননাশের হুমকি কাটাখালী পৌর মেয়র আব্বাসের বঙ্গবন্ধু কে নিয়ে কটুক্তির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ বঙ্গবন্ধুকে কটুক্তির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে আব্বাস আলীকে গ্রেপ্তারের দাবি রাসিক কাউন্সিলরবৃন্দের ডুয়েটে শহীদ মোস্তফা এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের উদ্বোধন

পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর ভূমিকা প্রশংসনীয়

শেখ আরিয়ান রুবেল, ঢাকা মহানগর উত্তর প্রতিনিধি / ২৯২ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২০

ঢাকা মহানগর উত্তর প্রতিনিধিঃ- পর্যটন শিল্প বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় শিল্প। গুরুত্ব বিবেচনায় পিছিয়ে থাকা দেশের এই উজ্জ্বল সম্ভাবনাময় শিল্পের বিকাশ আজ সময়ের দাবি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে এই শিল্পের গুরুত্বও অপরিসীম। সে জন্য এর আধুনিকায়ন একান্ত অপরিহার্য। এসব বিবেচনায় সরকার শিল্পের বিকাশের জন্য একটি মহাপরিকল্পনা তৈরি করেছে। ২০২১ সালের ৩০ জুন মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন সম্পন্ন হওয়ার কথা। সেটি বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ পর্যটন শিল্পের নতুন যুগে প্রবেশ করবে। এখাতে বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ব্যাপক সম্ভাবনার সূচনা হবে। ফলে আমরা আশা করতে পারি বাংলাদেশ এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হবে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেধা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে সকল ক্ষেত্রে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নি:সন্দেহে। এই উন্নয়নের ধারার সাথে পর্যটনও সামনের দিকে এগিয়ে যাবে এবং এগিয়েও যাচ্ছে। এই এগিয়ে নেওয়ার কাজটি করছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে মন্ত্রণালয় চালিয়ে আসছেন।

রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে দক্ষ এই মানুষটি জন্মেছেন বৃহত্তর সিলেটের হবিগঞ্জ জেলায়। ১৯৬১ সালের ১৭ জুলাই হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার বুল্লা ইউনিয়নের বানেশ্বর গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা আলহাজ্ব মৌলানা আছাদ আলী। আছাদ আলী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য ছিলেন।

মাহবুব আলী ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হবিগঞ্জ-৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার মন্ত্রিসভায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে মাহবুব আলী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ মোতাবেক তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে যাচ্ছেন। তারই প্রচেষ্টায় দেশের পর্যটন শিল্প খাতটি আজ নতুন জীবন ফিরে পেতে শুরু করেছে। আমরা মনে করি বাংলাদেশের এই পর্যটন খাতকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সকলকে উদ্যমী হতে হবে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড এবং বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনকে পর্যটন উন্নয়ন ও বিকাশে নেতৃত্ব দিতে হবে। আমরা চাই দৃশ্যমান পরিবর্তন। আর সে কাজটি করে যাচ্ছেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী।

বাংলাদেশের পর্যটন মহাপরিকল্পনা একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। এতে সকলের অংশগ্রহণ জরুরি হয়ে পড়েছে। মহাপরিকল্পনাটির অংশীদার সমগ্র জাতি। আশা করা যায় সকলের যৌথ প্রয়াসে একটি সমৃদ্ধ এবং প্রয়োগযোগ্য ট্যুরিজম মাস্টারপ্ল্যান তৈরি হবে বাংলাদেশের জন্য। বর্তমানে বিশ্বে পর্যটকের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। পর্যটনে উন্নত দেশগুলোর সমকক্ষ হতে হলে আমাদের গৃহীত মহাপরিকল্পনাকে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। পর্যটন উন্নয়ন হলে পরিবহন সেক্টর, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, কারুপণ্য ইত্যাদি বিকশিত হবে। কর্মসংস্থান হবে বিপুল সংখ্যক মানুষের।

এই পর্যটন শিল্পকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিতে হলে দেশের ব্যাংকগুলোকে পর্যটন ঋণ চালু করার পরামর্শ দিয়েছেন মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন-আমাদের ব্যাংকিং খাত আগের যেকোনও সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি শক্তিশালী। তাই বিভিন্ন পর্যটন স্পটের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে ব্যাংক ও অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান দীর্ঘমেয়াদী ঋণ প্রদান করতে পারে। দেশীয় পর্যটকদের জন্য সহজ শর্তে পর্যটন ঋণের ব্যবস্থা থাকা দরকার, যাতে তারা বেড়ানোর পর ইনস্টলমেন্টের মাধ্যমে সেই ঋণ পরিশোধ করতে পারে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ নেপাল ২০১০ সালে এই ঋণ চালু করে বর্তমানে এর সুফল ভোগ করছে। দেশ-বিদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের জন্য ট্রাভেলার্স চেক/ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার আরও সহজীকরণ করা প্রয়োজন। এর সুবাদে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা ভ্রমণ করতে আরও বেশি উৎসাহিত হবেন। মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর ব্যাংক ঋণের এ প্রস্তাবনা সময় উপযোগী এবং বাস্তবসম্মত।

এ প্রসঙ্গে আমাদের বক্তব্য পরিষ্কার তা হল- ব্যাংক ঋণ এবং পর্যটন উন্নয়নে সরকারের গৃহীত মহাপরিকল্পনা কালবিলম্ব না করে দ্রুততার সঙ্গে বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হোক। দেশের স্বার্থে, জাতীয় উন্নয়নের স্বার্থে সর্বোপরী পর্যটকদের স্বার্থে এ কাজটি এখনই করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com
P