Logo
শিরেোনাম ::
‘পাইলট ট্রেনিং-৬ এয়ারক্রাফট’ স্থাপন করলো ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা নাসির উদ্দিন নাসিরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাবা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার কাছে কন্যার খোলা চিঠি শাহজাদপুরে কোটি টাকায় ২ কিলো রাস্তায় মাটি ভরাট -১৫ হাজার মানুষের চলাচলে চরম দূর্ভোগ করোনা রোগীদের অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডাঃসবুজ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ সিলেট বিভাগীয় কমিটি গঠ কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে ভেজাল বিটুমিন তৈরি কারখানায় অভিযান মালিক সহ ২জনকে কারাদন্ড এ্যাডভোকেট এ এম মোয়াজ্জেম হোসেন’র মৃত্যু বার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের শ্রদ্ধা নিবেদন পটিয়া জিরি ইউনিয়নে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে কেন্দ্রীয় নেতা বদিউল আলম প্লাস্টিক বর্জ্য সামুদ্রিক ও জলজ জীবনের সবচেয়ে বড় হুমকি

কেন অযৌক্তিক ডিপ্লোমা ভর্তির নতুন নীতি?? ইয়াছির আরাফাত

রিপোর্টারের নাম / ৫৬৫ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০

কেন অযৌক্তিক ডিপ্লোমা ভর্তির নতুন নীতি??
ইয়াছির আরাফাত

গত ০১ জুলাই দেশের জাতীয় পত্রিকা গুলোতে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে পলিটেকনিকে ভর্তির বয়স সীমা থাকছে না। ভর্তিতে নূন্যতম যোগ্যতা ছেলেদের ক্ষেত্রে ৩.৫ থেকে কমিয়ে ২.৫ এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ৩.০০ থেকে কমিয়ে ২.২৫ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন কারিগরি শিক্ষায় ভর্তির হার বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিদেশ ফেরত দক্ষ কর্মীদের প্রাতিষ্ঠানিক বা একাডেমিক স্বীকৃতি দেয়ার জন্য পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে কোন রকমের বয়সের সীমাবদ্ধতা রাখা হবে না।

মাননীয় মন্ত্রীর উদ্দেশ্যকে অবশ্যই সাধুবাদ জানাই। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো বিদেশ ফেরত কতজন কর্মী এমন আছেন যে তারা দীর্ঘদিন পড়ালেখার বাহিরে থেকে আবার নতুন করে বই খাতা নিয়ে পড়ার টেবিলে যাবে। কোন জরিপ আছে কি? ধরে নিলাম তাদের একাডেমিক স্বীকৃতির অভাবে ভাল চাকরি পায় না বা পাবে না। কিন্তু তাই বলে তাদেরকে ৪ বছর মেয়াদি কোর্সই করাতে হবে? কোন বিকল্প ভাবনা কি থাকতে পারতো না? তারা স্বল্পমেয়াদী কোন কোর্স করে চাকরির জন্য বিশেষভাবে বিবেচিত হতে পারতো না? অথবা পলিটেকনিকেই তাদের জন্য সান্ধ্যকালীন বা শুক্র-শনিবার পড়ার ব্যবস্থার কথাও ভাবা যেতো হয়তো। কল্পনা করে দেখেন তো ১৬-১৭ বছর বয়সের ছেলেমেয়েদের সাথে ২৫ বছরের কোন কেউ যদি ক্লাস করতে বসে কেমন হবে? এটা কোন সিনেমা নয়, বাস্তব জীবনের অংশ। এখানে এমন ঘটনা একেবারেই বেমানান।

এবার আসি ভর্তির হার বাড়ানোর জন্য জিপিএ কমানোর বিষয়ে। শুধু সংখ্যা বৃদ্ধির পায়তারা করা হচ্ছে বাট মান নিয়ে কতটা চিন্তা করা হয় আমার জানা নেই। গত এক যুগেরও অধিক সময় কোন শিক্ষক নিয়োগ হয় না। ২য় শিফটের শিক্ষার্থীদের প্রতি সেমিস্টারেই শিক্ষক আন্দোলনের কারণে মানসিক কষ্ট ভোগ করতে হয়। ল্যাবগুলোতে নাই প্রয়োজনীয় ও পর্যাপ্ত সরঞ্জাম। এছাড়াও আরো কত শত সমস্যা তো পড়েই রয়েছে। সিট খালি থাকা নিয়ে যদি বলেন তাহলে বলতে চাই, ডিপার্টমেন্ট আছে প্রায় ৩৪ টি। এর মধ্যে হাতে গোনা কয়েকটি বাদে বাকিগুলোতে হয় না কোন নিয়োগ, না আছে বেসরকারি চাকরির সুযোগ। তাহলে সেই সব বিভাগে তো জোর করেও আসন পূরণ করা সম্ভব না। গতবছর ৪৯ হাজার সিটের বিপরীতে আবেদন করেছে প্রায় দেড় লাখ। তাহলে আসন খালি থাকার জন্য দায়ী কি সেটা বিশ্লেষণ করা দরকার।

আমরা শুধু রুপকথার গল্পের মতো অলীক স্বপ্নই দেখে যাই আমাদের দেশে গাড়ি তৈরীর কারখানা হবে, দেশীয় প্রযুক্তির মোবাইল ফোন তৈরী হবে, নিজেদের ইঞ্জিনিয়ার দ্বারা মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হবে। সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রুপান্তরিত করতে বাস্তবসম্মত কোন পদক্ষেপ আমরা নিতে পারি না। আমরা শুধু শো-অফে বিশ্বাসী অদ্ভুত এক জাতিতে পরিণত হয়ে গেছি। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে আমাদের কর্তাব্যক্তিদের ভাবনার উন্নতি ঘটানো প্রয়োজন। অন্যথায় গাবের গাছ লাগিয়ে আম খাওয়ার স্বপ্ন দেখার মতোই অবস্থা হবে। কাজেই পলিটেকনিক ভর্তির জন্য সদ্য ঘোষিত নতুন নীতির আশু পরিবর্তন করে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত।

লেখকঃ নির্বাহী পরিচালক, সফটম্যাক্স অনলাইন স্কুল


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com