Logo
শিরেোনাম ::
রাজশাহীর তানোরে আমন ধানের চারা রোপনে ব্যাস্ত চাষীরা রাজশাহীতে নির্মাণ করা হচ্ছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক কঠোর লকডাউন অমান্য করে অবৈধ মেলা- ১ লাখ টাকা জরিমানা লালমাইয়ে ভুল চিকিৎসায় নারীর গর্ভপাত বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক হচ্ছে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলায় সংসদ সদস্য জনাব শাহে আলম এর জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে “প্রবাসী সমাজ কল্যাণ তহবিল” এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বাসীকে ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা জানান এড. মাহফুজুর রহমান মোঃ নাসির উদ্দিনের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে ৭০০০ মাক্স উপহার গোমস্তাপুরে জিনিয়াস ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশন এর আয়োজনে করোনা টিকা রেজিস্ট্রেশনের ফ্রি ক্যাম্পেইন

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ ১৫ বছর পর ও হয়নি সংযোগ সড়ক

সাইমুন সাগর,মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি / ৩৪৬ বার
আপডেট সময় : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০

সাইমুন সাগর,মনোহরগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ ১৫ বছর পর ও হয়নি সংযোগ সরক। ঝলম ও হাওরা এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে ডাকাতিয়া নদীর উপর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্মিত হাওরা সেতু জনগনের কোন কাজে আসছে না। সংযোগ সড়ক নির্মান না করায় গত ১৫ বছর ধরে সেতুটি এলাকার জনগনের দুঃখ হিসেবে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে।

এতে ডাকাতিয়া নদীর দুই পাড়ের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, চাকুরিজীবী, কৃষক, ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার দেড় লক্ষাধিক মানুষ সীমাহীন ভোগান্তি পোহাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে ২০০৫ সালের ৫ জানুয়ারী বিএনপি দলীয় তৎকালীন স্থানীয় সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম ওই সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে এলজিইডির তত্বাবধানে ও ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের ( আইডিবি) অর্থায়নে ৮০ লাখ টাকায় ওই সেতুটি নির্মান করা হয়েছিল। ২০০৬ সালের ৩০ এপ্রিল নির্মান কাজ শেষ হয় এবং একই দিন উদ্ভোধন করা হয়। কিন্তু সংযোগ সড়ক না করেই উদ্ভোধন করায় তখন থেকেই অব্যবহৃত ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে আছে। এটি জনগনের কোন কাজেই লাগছে না।

স্থানীয়রা জানান, সেতুর সংযোগ সড়ক না থাকায় স্থানীয় লোকজনকে বছরের পর বছর ধরে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ওই সেতুর স্থানে আগে বাঁশের সাঁকো ছিল হেঁটে ওই সাঁকো দিয়ে দ্রুত পার হওয়া যেতো। উচু সেতু নির্মান হওয়ায় এর দুই দিকে মাটি না থাকায় শুকনো মৌসুমে সেতুতে উঠতে বেশ কষ্ট হয় এবং বেশি সময় লাগে। এছাড়া বর্ষাকালে সেতুটির সকল যোগাযোগ মাধ্যম পানিতে তলিয়ে যায়। ওই সময় সাধারণ মানুষ পায়ে হেঁটে যাওয়ার সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হয়। এতে বাধ্য হয়ে এলাকার মানুষকে নৌকাযোগে নদী পারাপার হতে হয়।

মনোহরগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা সোহেল রানা জানান, ওই এলাকায় অপরিকল্পিতভাবে সেতু নির্মান করা হয়েছে। এখন সেতুর দুই পাশে মাটি দিলেও তা থাকবে না। সংযোগ সড়ক না করেই সেতু নির্মান করায় এমন অবস্থায় হয়েছে এতে জনদুরভোগ আরো বেড়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে জানানো হবে।

এলজিইডি কুমিল্লার নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, সেতু সংলগ্ন জমির মালিকরা তাদের জমি অধিগ্রহন করতে না দেওয়ায় সংযোগ সড়ক নির্মান করা যাচ্ছে না। তবে জনগনের স্বার্থে সহসা পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
2020 সাল হলো এখনো কোনো প্রদক্ষেপ নেওয়া হয় নাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com