Logo

অতি বৃষ্টিতে কক্সবাজারে পাহাড় কাঁটার ধুম-দেখার কেউ নাই

অনিন্দ্য বৈদ্য সানি, চীফ ব্যুরো চট্টগ্রাম / ১৯০ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ২২ জুন, ২০২০

অনিন্দ্য বৈদ্য সানি, চীফ ব্যুরো চট্টগ্রামঃ বিগত কয়েকদিন যাবৎ পর্যটকদের শহর ককসাজার বৃষ্টির দখলে । এখানে রাস্তায় চলাচলের সুবিধাও নেই । বিলাশবহুল গাড়ির পরিতর্তে কপ্টর ব্যাবহার হচ্ছে । শহরের নিচু এলাকা সহ শহরতলিতে জলঝট স্থান করে নিয়েছে । উপজেলার বেশিরভাগ গ্রাম প্লাবিত । তাছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ওবন্যা চলছে । পরিবেশে বিজ্ঞানীদের মতে এক সময় ককসবাজারে কোন বন্যা প্লাবন হত না । এই শহরের কোন মানুষ বন্যায় ক্ষতি গ্রস্ত হত না ।কখনো কখনো সাইক্লোন – ঘুর্নিঝড হলে ও তা ক্ষয় ক্ষতির করত উপকূলীয় অঞ্চলে তা এভাবে শহর কে কয়েকদিন ডুবিয়ে রাখত না । বর্তমান অবস্থার জন্য পাহাডি জমি এবং পাহড খেকুরা মূলত দায়ী । শহরের বিভিন্ন এলাকায় নির্বিচারে পাহড কেঁটে তা অতি মূল্য বিক্রি করা হয় । নির্বিচারে পাহাড় কেঁটে বসতবাটী তৈরী করার ফলে পাহাডি মঁটি পানি চলাচলের সব জায়গা দখলে নিচ্ছে । ফলে খাল – বিল এবং ছোট ছোট নদী সমুহ ভরাট হয়ে যাচ্ছে ।তাছাডা পাহাড় খেকুদের মত নদী দখল ও হচ্ছে । তাতে বৃষ্টির পানির প্রবাহে বাঁধা হচ্ছে এবং নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে ।

পাহাড় কাঁটার সময় শওকত ও লিয়াকত গং এর বাকবিতান্ডা ।

এ সবের দেখার জন্য কেউ নাই । পরিবেশ অধিদপ্তর তা করতে গিয়ে চেলেন্জের স্বীকার হতে চায় না । সদর ইউ এন ও তা নিজের দাঁয় না নিয়ে পরিবেশ বলার কথা বলেন । ফলে পাহাডি এলাকাগুলোয় দুই অফিসের কর্মচারী এমন কি গাড়ির ড্রাইভারের পাঁচতলা ভবন চোখে পডার মতন। লকডাউনের সময় যখন আর দশজন গাডী চালক পেট চালাতে পারে না তখন ইউ এন ও সদরের ড্রাইভারের পাঁচ তলা ভবনে রাতদিন লকডাউন কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে শত শত শ্রমিক কাজ করছে । বিধিতে পরিকল্পনা , খাস জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের বিধান না থাকলে ও ইউ এন ও র ড্রাইভারের এমন কান্ড ইনকামের গতি বাডিয়েছে । তার পাশে সিনিয়র ড্রাইভারের আলিশান বাডী । জন মনে রেওয়াজ আছে সদর উপজেলার দক্ষিণের বিশাল অংশ হতে মাশওয়ারা পেয়ে রিতি মত কোটি কোটি টাকার মালিক সদর ইউ এন ও র দুই ড্রাইভার।

এলাকার সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায় । ড্রাইভারদের মাধ্যমে পাহাড় কাঁটার জন্য একটি ব্যাবস্থা হয় । তাদের শর্ত মত টাকা দিলে পাহাড় কাঁটাতে কোন বাঁধা হয় না । তাছাডা আরো বেশ কিছু লোকজন এ সিন্ডিকেটের কাজ করে । কারো গাছ কাঁটলে গাডীতে দুই হাজার ।বাডীতে ছাঁদ দিলে প্রতি চাঁদে লাখ টাকা । ফাইলিংকরলে নির্দ্দিষ্ট হারে টাকা দিতে হয় । পাহাড় কাঁটলে টাকা দিতে হয় ঐ সিন্ডিকেটর হাতে । পাহাড় কাঁটতে টাকা না দিলে বিচারের নামে দুই পক্ষ কে ডেকে কৌশলে টাকা আদায় করা হয় ।
সব কিছু ঠিক থাকলে মাটি কেটে পাহাড় কে শ্রেণীর পরিবর্তন করা যায় । খুব সহসায় মাটি কাটা যায় । শুষ্ক মৌসুমে পাহাড় কাটাতে খরছ বেশী হয় । অতি বৃষ্টি পাহাড খেকুদের জন্য উপযুক্ত সময় । তাই অতি বৃষ্টি হলে পাহাডি জনপদে পডে মাটি কাঁটার ধুম। অতি বৃষ্টিতে সদর উপজেলার দক্ষিণ পাশে দক্ষিণ ডিককুলে চলছে পাহাড় কাটার ধুম ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com