Logo
শিরেোনাম ::
‘পাইলট ট্রেনিং-৬ এয়ারক্রাফট’ স্থাপন করলো ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা নাসির উদ্দিন নাসিরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাবা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার কাছে কন্যার খোলা চিঠি শাহজাদপুরে কোটি টাকায় ২ কিলো রাস্তায় মাটি ভরাট -১৫ হাজার মানুষের চলাচলে চরম দূর্ভোগ করোনা রোগীদের অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডাঃসবুজ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ সিলেট বিভাগীয় কমিটি গঠ কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে ভেজাল বিটুমিন তৈরি কারখানায় অভিযান মালিক সহ ২জনকে কারাদন্ড এ্যাডভোকেট এ এম মোয়াজ্জেম হোসেন’র মৃত্যু বার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের শ্রদ্ধা নিবেদন পটিয়া জিরি ইউনিয়নে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে কেন্দ্রীয় নেতা বদিউল আলম প্লাস্টিক বর্জ্য সামুদ্রিক ও জলজ জীবনের সবচেয়ে বড় হুমকি

স্বাধীনতার ৪৯ বছর পর বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম খুর্শেদ আলম চৌধুরী নাম গেজেট ভুক্ত হলো

শেখ আরিয়ান রুবেল, ঢাকা মহানগর উত্তর প্রতিনিধি / ৩৬৩ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ৮ জুন, ২০২০

ঢাকা মহানগর উত্তর প্রতিনিধিঃ- প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গেজেটভুক্ত হলো মরহুম খুর্শেদ আলম চৌধুরীর নাম।তিনি মাধবপুরে উপজেলার শাহজাহানপুর ইউনিয়ন এর সুরমা গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম চৌধুরী পরিবারের মরহুম আব্দুল গফুর চৌধুরীর দ্বিতীয় ছেলে। ০৩ নম্বর সেক্টরসহ সমগ্র যুদ্ধকালীন সময়েই যোদ্ধা হিসেবে।


মুক্তিবাহিনীর সমগ্র দেখাশোনা, রসদ পরিবহন সহ বিশেষ করে তিনি ছিলেন একজন পরিকল্পনা কারী ও বিশিষ্ট সংগঠক। ১৯৭০ এর জাতীয় নির্বাচনে ওনি হবিগঞ্জ মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়ায় বঙ্গবন্ধু কে এনে নির্বাচন এর প্রচার সভার আয়োজন করেছিলেন । ছিলেন বঙ্গবন্ধুর খুব স্নেহের পাত্র । তিনি সেই সময় থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ছিলেন মাধবপুর থানা আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা। বর্তমান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জনাব এডভোকেট মাহবুব আলী সাহেবের পিতা, মাওলানা আসাদ আলী এমপি সাহেব এর ঘনিষ্ঠ সহচর ও ছিলেন। ওনার আরো আপন দুই ভাই তারাও ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ রফিকুল আলম চৌধুরী অন্যজন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম শফিকুল হোসাইন চৌধুরী। বীর মুক্তিযোদ্ধা খুর্শেদ আলম চৌধুরীর দুই ছেলে বড় ছেলে ফয়সল আলম চৌধুরী অপরজন কাউছার আলম চৌধুরী। ওনার আরো বিবাহিত দুই মেয়ে ও রয়েছে। ৪ঠা এপ্রিল ১৯৭১ এ তেলিয়াপাড়া বাঁশ বাড়ীতে অনুষ্ঠিত পরিকল্পনা সভায় ওনি উপস্থিত ছিলেন। ওনার নাম তেলিয়াপাড়ার বুলেট স্মৃতিস্থম্ভে লিখিত আছে।

এ বিষয়ের ওনার নাতি হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রকল্যাণ পরিষদ ( বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের) সিলেট শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক ফুয়াদ আলম চৌধুরী Engineersnews24 কে বলেন দাদাভাইয়ের এই গেজেট ভুক্তির জন্য আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে মানবতার মা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তদসংশ্লিষ্ট সকল ব্যাক্তিবর্গকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন। দাদার এই আত্মত্যাগের বিনিময়ে এই স্বাধীনতা অথচ স্বাধীনতার ৪৯ বছরের এসে স্মীকৃতি পেলো মুক্তিযুদ্ধা হিসাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com