Logo
শিরেোনাম ::
বাবা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার কাছে কন্যার খোলা চিঠি শাহজাদপুরে কোটি টাকায় ২ কিলো রাস্তায় মাটি ভরাট -১৫ হাজার মানুষের চলাচলে চরম দূর্ভোগ করোনা রোগীদের অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডাঃসবুজ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ সিলেট বিভাগীয় কমিটি গঠ কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে ভেজাল বিটুমিন তৈরি কারখানায় অভিযান মালিক সহ ২জনকে কারাদন্ড এ্যাডভোকেট এ এম মোয়াজ্জেম হোসেন’র মৃত্যু বার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের শ্রদ্ধা নিবেদন পটিয়া জিরি ইউনিয়নে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে কেন্দ্রীয় নেতা বদিউল আলম প্লাস্টিক বর্জ্য সামুদ্রিক ও জলজ জীবনের সবচেয়ে বড় হুমকি কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কাশিনগর বাজারে নিরাপত্তার স্বার্থে সিসি ক্যামেরা উদ্বোধন কবিতাঃ “একটি স্বচ্ছ হৃদয়”

করোনা আক্রান্তদের প্লাজমা দিতে চাই চবির ছাত্র ইমতিয়াজ আহমেদ

মনির উদ্দীন, চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ থানার প্রতিনিধি / ১৩৩ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ৬ জুন, ২০২০

চট্টগ্রাম পাঁচলাইশ থানার প্রতিনিধিঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ইমতিয়াজ আহমেদ। ফেনীতে পারিবারিক ব্যবসা দেখাশোনা করতে গিয়ে করোনায় আক্রান্ত হন তিনি। পরে ঘরোয়া চিকিৎসায় মাত্র একসপ্তাহেই তিনি করোনা জয় করেন। এখন তিনি করোনা আক্রান্তদের প্লাজমা দিতে চান।

করোনা উপসর্গ থেকে করোনা আক্রান্ত এবং পরে করোনা জয়ের পুরো গল্পটিই ইঞ্জিনিয়ার্সটোয়েন্টিফোর কে জানিয়েছেন এই শিক্ষার্থী।

ইমতিয়াজ বলেন ‘গত ২৫ মে থেকে আমার জ্বর, মাথাব্যথা, গায়ে ব্যথা, হালকা কাশি ও শরীর দুর্বল লাগতে শুরু করে। তখন আমি দেরি না করেই নিকটস্থ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে করোনা ভাইরাসের নমুনা দিয়ে আসি। দুইদিন পর আমার রিপোর্ট পজিটিভ আসে।’

‘২৫ মে থেকেই আমি কুসুম গরম পানি, লেবু পানি এবং চা খেতে শুরু করি। পাশাপাশি দিনে ৫ বার লবঙ্গ, গোল মরিচ, আদা, এলাচি, দারুচিনি গরম পানিতে দিয়ে চায়ের মত করে খেতে থাকি। ঠাণ্ডা পানি একদমই খাইনি। আর প্রতিদিন খাওয়ার আগে সারজেল আর খাওয়ার পরে এইস, মোনাস ১০, ফেকজো ফেনাডিন ১২০ এই ওষুধগুলো খেয়েছি। এই কদিন একবারের জন্যও ঘর থেকে বের হইনি।

ইমতিয়াজ বলেন, ‘এর মাঝে ২৬ তারিখের পরে নতুন একটা উপসর্গ দেখা দেয়। এরপর খাবারে কোনো স্বাদ পেতাম না। নাক দিয়ে নিশ্বাস নিতে পারলেও ঘ্রাণ পেতাম না। তখন আরও বেশি ভয় লাগে। এর কয়েকদিন পর নিঃশ্বাস নেওয়ার সময় বুকেও ব্যথা পেতাম। সেজন্য হা করে নিঃশ্বাস নিতে হতো। এর মাঝে জ্বর আস্তে আস্তে কমে যেতে থাকে। এ সময় আমি গরম পানি দিয়ে ভাপ নিয়েছি। পরিষ্কার থাকার চেষ্টা করছি। এরপর গত ১ জুন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক কর্মী বাসায় এসে আমার দ্বিতীয়বারের নমুনাটা নিয়ে যায়। আজ ০৬/০৬/২০২০ ইং এর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এখন আমি প্লাজমা দিতে চাই।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com