Logo
শিরেোনাম ::
রাজশাহীতে নির্মাণ করা হচ্ছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক কঠোর লকডাউন অমান্য করে অবৈধ মেলা- ১ লাখ টাকা জরিমানা লালমাইয়ে ভুল চিকিৎসায় নারীর গর্ভপাত বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক হচ্ছে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলায় সংসদ সদস্য জনাব শাহে আলম এর জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে “প্রবাসী সমাজ কল্যাণ তহবিল” এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বাসীকে ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা জানান এড. মাহফুজুর রহমান মোঃ নাসির উদ্দিনের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে ৭০০০ মাক্স উপহার গোমস্তাপুরে জিনিয়াস ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশন এর আয়োজনে করোনা টিকা রেজিস্ট্রেশনের ফ্রি ক্যাম্পেইন রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ শাখার মাস্ক বিতরণ কর্মসূচী

ল্যাবের রিপোর্ট নিয়ে ধূম্রজাল- কুমিল্লায় পজেটিভ, ঢাকায় নেগেটিভ

মেহেদী হাসাস নিরব কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি / ১২৩ বার
আপডেট সময় : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০

কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি ঃ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের স্থাপিত ল্যাবে করোনা পরীক্ষার নাঙ্গলকোট উপজেলার ১০ জনের পজেটিভ ফলাফল ঢাকায় গিয়ে নেগেটিভ রিপোর্ট হয়েছে। এই বিভ্রান্তিকর রিপোর্টের কারণে সংশ্লিষ্টরা সামাজিক ও মানসিক ভোগান্তিতে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন নাঙ্গলকোট উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: দেব দাশ দেব।
ডা: দেব দাশ দেব জানান,কুমেকে আমার হাসপাতালের সাতজন চিকিৎসকসহ ১৪ জনের ফলাফল পজেটিভ ঘোষণা করে। ২৩ তারিখ ফলাফল আসে। আমরা স্বাভাবিক ভাবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স লকডাউন করি। আমাদের সন্দেহ হওয়ায় তিনদিন পর আক্রান্ত ১০জনের নমুনা ঢাকায় পাঠাই। ৩ মে ১০জনেরই নেগেটিভ ফলাফল আসে। এছাড়া কুমেকে দুইজনকে নেগেটিভ বলা হলেও ঢাকায় তাদের পজেটিভ ঘোষণা করে। এনিয়ে সবাই মানসিক,সামাজিক ভোগান্তিতে পড়েছে। আইআইডিসিআর এর বায়োলজি বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. তাহমিনা শিরিন মহোদয় বলেছেন,চিকিৎসক ও স্টাফদের নেগেটিভ ঘোষণা করে কাজে যোগদান করাতে। সামনে আর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে নমুনা পাঠাবো না। অন্য পজেটিভ নিয়েও আমার সন্দেহ রয়েছে।
এদিকে দেবিদ্বার উপজেলার স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.আহমেদ কবীর বলেন,কুমিল্লায় নমুনা পাঠালে বেশি পজেটিভ আসে। ৫০টি নমুনা পাঠালে মোটামুটি ১৫/২০জন পজেটিভ আসে। ঢাকা থেকে সেটা আসে ৮/১০জন।
নাঙ্গলকোটের করোনা পজেটিভ ভুক্তভোগী পরিবার গুলো ও সেন্টার ফর সোসাল সার্ভিসেসের পরিচালক অধ্যক্ষ সায়েম মাহবুব বলেন, নাঙ্গলকোটে করোনা ভাইরাস পরীক্ষায় ভুল রিপোর্টের ফলে ৭০ পরিবারে নেমে এসেছে বিপর্যয়। কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের দেয়া ভুল রিপোর্টের কারণে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স দীর্ঘ ১৪ দিন যাবৎ লকডাউন থাকায় উপজেলার ছয় লাখ মানুষ চিকিৎসা বঞ্চিত হন। এদিকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম হতে সংগ্রহ করা ৬০৪ জনের নমুনার মধ্যে ৭০ ভাগই কুমিল্লা মেডিকেলের রিপোর্ট বলে জানা গেছে। এছাড়া এখনো ৯২ জনের রিপোর্ট প্রক্রিয়াধীন। এ নিয়ে জনমনে ব্যাপক সংশয় দেখা দিয়েছে। উপজেলার ৭৯ করোনা আক্রান্ত রোগীর নমুনাও পুনরায় আইইডিসিআর এ পাঠানো হোক ।
সিভিল সার্জন ডা. নিয়াতুজ্জামান বলেন,ভুল হতেই পারে। এতে চিকিৎসকদের কিছু সমস্যা হয়েছে। এনিয়ে আমি কোন মন্তব্য করতে চাই না।
কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. মোস্তফা কামাল আজাদ বলেন,এই পরীক্ষার ৩০ ভাগ বদলে যেতে পারে। তাছাড়া নমুনা সংগ্রহে সতর্ক না হলে কিংবা দেরিতে জমা দিলে সঠিক ফলাফল পাওয়া যায়না। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ২৪ ঘন্টার বেশি নমুনা ভালো থাকে না। আমরা প্রতিদিন দুই শিফটে ১৮০জনের নমুনা পরীক্ষা করতে পারি। কিন্তু নমুনা আসছে সাড়ে চারশ’ পাঁচশ’জনের। মেশিন ও জনবলের সংকট রয়েছে। চিকিৎসক ও স্টাফরা রাত ২টা পর্যন্ত কাজ করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com