Logo
শিরেোনাম ::
গাউছিয়া অটো রাইচ মিল মালিকের পক্ষ থেকে পটিয়া মুন্সেফ বাজারে পণ্য বিক্রয় কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন গরীব,দুস্থ ও জেলেদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করলেন প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় ডুয়েটের ১৯ শিক্ষক বিশ্বসেরা গবেষকদের তালিকায় পবিপ্রবির ২৩ শিক্ষক তানোর উপজেলা বাসীকে শারদীয় দূর্গা পূজার আগাম শুভেচ্ছা জানিয়েছেন যুবলীগ নেতা মঈনুদ্দীন সোনার বাংলা সমাজকল্যাণ সংস্থার নতুন সভাপতি মোঃ আবুল হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামরুল হাসান শ্রীমঙ্গলে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী ভানুর জয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য মা ইলিশ রক্ষার বিকল্প নেই: হোসাইন ডুয়েটে ২০২০-২১ সেশনের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী জামাত বিএনপি কর্মী ফয়জুর রহমান

তথ্যমন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শ্রদ্ধেয় ড. হাসান মাহমুদ এমপির জন্মদিনে Engineers24.com এর ফুলেল শুভেচ্ছা

রুহুল কাদের মানিক। ব্যুরো প্রধান কক্সবাজার । / ৫৭০ বার
আপডেট সময় : শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২০

ব্যুরো প্রধান কক্সবাজারঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর মাননীয় তথ্যমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ এমপি মহোদয় এর আজ ৫৮তম জন্মদিন।

শ্রদ্ধেয় ড.হাছান মাহমুদ এমপি মহোদয় এর সংক্ষিপ্ত জীবন বৃত্তান্ত। চট্রগ্রাম জেলা, রাংগুনিয়া উপজেলা, পদুয়া ইউনিয়নের প্রত্যন্ত সুখবিলাস গ্রামে ১৯৬৩ সালের ৫ই জুন জন্মগ্রহন করেন রাংগুনিয়ার সূর্য সন্তান ড.হাছান মাহমুদ এমপি মহোদয়।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, মুক্তিযুদ্ধকালীন রাংগুনিয়া থানা আওয়ামীলীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, চট্রগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এবং চট্রগ্রাম ও পার্বত্য চট্রগ্রাম জেলা সমূহের সাবেক পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট নুরুচ্ছাপা তালুকদার ছিলেন তাঁর পিতা।
ড,হাছান মাহামুদ এমপি চট্রগ্রাম সরকারী মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি, এবং হাজী মুহম্মদ মুহসিন কলেজ থেকে এইচ,এস,সি. পাশ করেন।
পরবর্তীতে ১৯৮৭ইং সালে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়নশাস্ত্রে অনার্স এবং ১৯৮৯ সালে মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন।
১৯৯২-৯৩ সালে বেলজিয়ামের বিখ্যাত ব্রীজি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিবেশ বিষয়ক ডিপ্লোমা এবং ১৯৯৫-৯৬ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক বিষয়ের উপর মাস্টার্স ডিগ্রী অর্জন করেন।

২০০০-২০০১ সালে বেলজিয়ামের বিখ্যাত বিমবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পরিবেশ বিষয়ক পি,এইচ.ডি. ডিগ্রী লাভ করেন।
তিঁনি সরকারী মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯৭৫ সালে জুনিয়র বিতর্ক টিমের লিডার হিসেবে নেতৃত্ব দেন।
জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় ১৯৮৭ সালে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সোহরাওয়ার্দী হলের দলনেতা হিসাবে নেতৃত্ব দেন।
ব্রাসেলস ব্রীজ ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নকালে তিঁনি বিশ্বের ৬০টির বেশী দেশের এক হাজারেরও বেশী, বিদেশী ছাত্র-ছাএীর সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ষ্টুডেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন। ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে তিনিই প্রথম এই এসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হন।
ড,হাছান মাহামুদ এমপি ১৯৭৮ সালে ছাত্র রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। সে সময় তিঁনি চট্রগ্রাম শহরের জামালখান ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৭৯-৮১ সালে হাজি মুহম্মদ মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১৯৮৯-৯০ সালে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৮৯ সালে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯১ সালে চট্রগ্রাম উওর জেলা আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মনোনীত হন।
১৯৯২ সালে সভানেত্রী শেখ হাসিনা’র উপস্হিতিতে বেলজিয়াম আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।

১৯৯৫ সালে বেলজিয়াম আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০০১ সালের ২৮ই অক্টোবর আওয়ামীলীগের দূসময়ে জননেত্রী শেখ হাসিনা’র বিশেষ সহকারী (পিএ) হিসেবে নিয়োগ পান।
২০০২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন।
১/১১ জরুরী আইন জারির হওয়ার পরে জননেত্রী শেখ হাসিনা পক্ষে মিডিয়ায় সামনে সাবলীল উপস্হিতি ও সাহসী অবস্হানের জন্য দেশী-বিদেশী মিডিয়ার আকর্ষণের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত হয়েছেন।
২১শে আগষ্ট প্রধানমন্ত্রীকে হত্যা উদ্দেশ্যে গ্রেনেড হামলার সময় নিজের জীবন বাঁচানোর তোয়াক্কা না করে প্রিয় নেত্রীকে বাঁচানোর জন্য মাবনঢাল তৈরী করে অনন্য নজির স্হাপন করেছিলেন। তাঁর শরীরে এখনও স্প্রিন্টারের চিহ্ন বিদ্যমান।
২০০৮ সালে দেশের সন্ত্রাস ও রাজাকারের কিংবদন্তি গড়ফাদার সাকা চৌধুরীকে বিপুল ভেটে পরাজিত করে চট্রগ্রাম জেলার রাংগুনিয়া-৭ আসনের এমপি নির্বাচিত হন এবং আওয়ামীলীগের প্রথম মন্ত্রীসভায় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দায়িত্ব পান।
পরবর্তীতে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক নির্বাচিত হন।
কিছুদিন পর বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।
এক বছর পর প্রমোশন নিয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয়ের পূর্নমন্ত্রী দায়িত্ব নেন।
গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকালীন সময়ে গঠিত সর্বদলীয় মন্ত্রীপরিষদে তিঁনি মন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্তি হন।
মন্ত্রী হিসেবে মহাজোট সরকারে পাঁচ বছর পূর্ন করার পর পুনরায় রাংগুনিয়া-৭ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
সাবেক পরিবেশ ও বন মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্হায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিঁনি বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটর।
২০১৬ সালে জাতীয়সংঘ কর্তৃক “গ্রীনস্টার” পুরস্কার লাভ করেন। যে পুরস্কারকে পরিবেশ বিষয়ক নোবেল পুরস্কার হিসেবে গণ্য করা হয়।
বর্তমানে তিঁনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্যমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
(ভুল ত্রুটির জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। আরো তথ্য থাকলে কমেন্টে দেয়া যেতে পারে।)

শুভেচ্ছা ও ভালবাসায়,

রুহুল কাদের মানিক।
ব্যুরো প্রধান কক্সবাজার ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com