Logo
শিরেোনাম ::
সিমোশএমসিতে ইন্টার্ন ডক্টরস রিসেপশন সম্পন্ন বশেমুরবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির নির্বাচন-২০২২ তানোরে চোলাই মদ ও পলাতক আসামি গ্রেফতার হাজীগঞ্জ শাহরাস্তিতে ইঞ্জিঃ মোহাম্মদ হোসাইনের শীতবস্ত্র বিতরন বটবৃক্ষের উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরন ডুয়েটে অনুষ্ঠিত হলো “শহীদ মোস্তফা এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড-২০২১” শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরন করলেন ইঞ্জিঃ মোহাম্মদ হোসাইন পটিয়া উপজেলায় বিভিন্ন এতিমখানার ছাত্রদের মাঝে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা বদিউল আলমের শীতবস্ত্র বিতরণ শাহজাদপুর প্রিমিয়ার লীগ সিজন-২ শুরু ফিরিঙ্গী বাজার ওয়ার্ড ছাত্রলীগের উদ্যোগে ছাত্রলীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে

৩০ জুন পর্যন্ত এনজিও’র কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না

মোঃ তাসনীম জামান, ব্যুরো প্রধান রাজশাহীঃ / ১৩৮ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ১ জুন, ২০২০

ব্যুরো প্রধান রাজশাহীঃ করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বেসরকারি সংস্থাগুলো (এনজিও) ঋণগ্রহীতাদের কাছ থেকে কিস্তি আদায় করতে পারবেন না, সরকারের এমন নির্দেশনার পরেও অফিস-আদালত সীমিত পরিসরে খুলে দেয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে এনজিওগুলোও ঋণ আদায়ের প্রস্তুতি শুরু করেছে। এমন অবস্থায় এনজিও থেকে গৃহীত ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি পরিশোধে কোনও ঋণ গ্রহীতাকে ৩০ জুন পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না। আজ সোমবার রাজশাহী জেলা প্রশাসক হামিদুল হক স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

জানা যায়, জুন পর্যন্ত নতুন করে কাউকে ঋণ খেলাপি ঘোষণা করা যাবে না উল্লেখ করে গত ২২ মার্চ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে লাইসেন্সপ্রাপ্ত সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি। এরপরও এ প্রজ্ঞাপনের ভুল ব্যাখা দিয়ে কিছু এলাকায় ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহীতাকে কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা হচ্ছিল। বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্য গত ২৫ মার্চ আরও একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে অথরিটি।

এতে বলা হয়, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ঋণ গ্রহীতাদের আর্থিক অক্ষমতার কারণে ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি অপরিশোধিত থাকলেও তাদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে ৩০ জুন পর্যন্ত প্রাপ্য কোনো কিস্তি বা ঋণকে বকেয়া বা খেলাপি দেখানো যাবে না। অর্থাৎ এই সঙ্কটময় সময়ে ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণগ্রহীতাদের কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না। তবে কোনো গ্রাহক স্বেচ্ছায় ঋণের কিস্তি পরিশোধে ইচ্ছুক হলে সেক্ষেত্রে কিস্তি গ্রহণে কোনো বাধা থাকবে না। একই সঙ্গে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি নতুন করে কাউকে ঋণ দিতে চায় সেটা দিতে পারবে।

শহিদুল ইসলাম বলেন, রাজশাহী থেকে দু’একটি অভিযোগ পেয়েছেন যে জোর করে ঋণ আদায় করা হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি সংশ্লিষ্ট এনজিও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তা বন্ধ করেছেন। কিন্তু কেউ কথা শুনছেন না, অথবা সতর্ক করার পরও ঋণ আদায় করছেন বিষয়টি এমন হলে তার লাইসেন্স বাতিল করা হবে।

এদিকে এ বিষয়টি নিয়ে সোমবার (০১ জুন) সকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন জেলা প্রশাসক মো. হামিদুল হক। তিনি লিখেছেন, এনজিও থেকে গৃহীত ক্ষুদ্র ঋণের কিস্তি পরিশোধে কোনো ঋণ গ্রহীতাকে ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা যাবে না।

তবে জেলা প্রশাসকের ওই স্ট্যাটাসের নিচে রাজশাহীর অনেকেই লিখেছেন যে রোববার থেকে এনজিওগুলো ঋণ কার্যক্রম শুরু করেছে। এনজিওকর্মীরা কিস্তির টাকার বাড়িতে এসে চাপ দিচ্ছেন। দুর্ব্যবহার করছেন।

দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিরির মনিটরিং সেলের রাজশাহী বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম নিজের ০১৭১২০৮২০৫৭ নম্বরের মুঠোফোনে কল দেয়ার পরামর্শ দেন। বলেন, পুরো জুন পর্যন্ত কিস্তি আদায় বন্ধ না থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com
P