Logo
শিরেোনাম ::
‘পাইলট ট্রেনিং-৬ এয়ারক্রাফট’ স্থাপন করলো ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম মহানগর সেচ্ছাসেবকলীগ নেতা নাসির উদ্দিন নাসিরের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাবা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার কাছে কন্যার খোলা চিঠি শাহজাদপুরে কোটি টাকায় ২ কিলো রাস্তায় মাটি ভরাট -১৫ হাজার মানুষের চলাচলে চরম দূর্ভোগ করোনা রোগীদের অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডাঃসবুজ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ সিলেট বিভাগীয় কমিটি গঠ কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে ভেজাল বিটুমিন তৈরি কারখানায় অভিযান মালিক সহ ২জনকে কারাদন্ড এ্যাডভোকেট এ এম মোয়াজ্জেম হোসেন’র মৃত্যু বার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের শ্রদ্ধা নিবেদন পটিয়া জিরি ইউনিয়নে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে কেন্দ্রীয় নেতা বদিউল আলম প্লাস্টিক বর্জ্য সামুদ্রিক ও জলজ জীবনের সবচেয়ে বড় হুমকি

Bioluminescene- প্রকৃতির এক আজব রহস্য

রিপোর্টারের নাম / ৫৭৪ বার
আপডেট সময় : সোমবার, ১১ মে, ২০২০

আরাফাত হোসেন জীবন

শিক্ষার্থী, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

মনে করুন আপনি সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গেলেন, হঠাৎ সন্ধ্যায় সমুদ্রে ঢেউয়ের পানি যদি নীল হয়ে জ্বল জ্বল করে উঠে কেমন লাগবে সেই মূহুর্তটা??
নিশ্চয়ই আশ্চর্যজনক সুন্দর লাগবে!
হ্যা বাস্তবেই এমন ঘটনা সম্ভব।
যেটাকে বিজ্ঞানের ভাষায় বলে BIOLUMINESCENCE বা জীব দ্যুতি।
চলুন জীব-দ্যুতি সম্পর্কে জেনে আসি।
Bioluminescene কিঃ
রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে জীব দেহ হতে আলোক শক্তি উৎপন্ন হওয়াই জৈব-দ্যুতি।
এই বিক্রিয়ায় হালকা তাপ উৎপন্ন হয় বলে, একে ‘ ঠান্ডা আলো বা কোল্ড লাইট’ ও বলা হয়।
মূলত ঠান্ডা আলো বলতে যে আলো ২০% এর নিচে থার্মাল রেডিয়েশন বা তাপ উৎপন্ন করে।

উৎসঃ
বিভিন্ন মেরিন অর্গানিজমে দেখতে পাওয়া যায়।যেমনঃ
ব্যাকটেরিয়া, জেলিফিশ, শেওলা, কেঁচো, তারা মাছ, কঠিন খোলস বিশিষ্ট কাঁকড়া জাতীয় প্রাণি, মাছ ইত্যাদি।
জেনে অবাক হবেন যে, শুধুমাত্র মাছের গোত্রের মধ্যে প্রায় ১৫০০ প্রজাতি জৈব-দ্যুতি সম্পন্ন।
বিশেষক্ষেত্রে, কিছু জীব ব্যাকটেরিয়া বা জৈব-দ্যুতি সম্পন্ন জৈবকে খেয়ে ফেলে, নিজে আলো জ্বালানোর ক্ষমতা অর্জন করে নেয়।

কিভাবে ঘটেঃ
এই বিক্রিয়া ঘটতে গেলে ওই জীবদেহে লুসিফেরিন এবং লুসিফেরাজ অথবা ফটোপ্রোটিন
নামক রাসায়নিক পদার্থ থাকতে হয়। এই রাসায়নিক বিক্রিয়ায় লুসিফেরিন কে সাবস্ট্রেট বলা হয়। বলতে গেলে লুসিফেরিনই আলো উৎপন্ন করে।
এখন জেনে নিই লুসিফেরিন টা কি?
লুসিফেরিন(Luciferin)- হলো ল্যাটিন শব্দ যার মানে হলো Light-bringer।
সুতরাং লুসিফেরিন হলো একটি আলো-বিচ্ছুরণ যৌগ যা লিভিং অর্গানিজমে পাওয়া যায়।
কিছু জৈব-দ্যুতি সম্পন্ন জীব লুসিফেরিন সিনথেসাইজ করতে পারেনা এক্ষেত্রে এরা অন্য জীব থেকে খাদ্য হিসেবে শোষণ করে নেয়
বা মিথোজীবী সম্পর্কে গ্রহন করে।

কেন এসব অর্গানিজমরা আলো তৈরি করেঃ
এই সব জীব তাদের শিকারকে আকর্ষণ করার জন্য এবং কিছু জীব আছে যারা তাদের সঙ্গীকে আকর্ষণ করার জন্য মুখের সামনে আলো জ্বালায় আবার কিছু সামুদ্রিক স্কুইড জৈব-দ্যুতি সম্পন্ন তরল নিক্ষেপ করে তার শত্রুকে বোকা বানাতে।

কিভাবে এই আলো দেখিঃ
দৃশ্যমান বর্ণালি বা দৃশ্য বর্ণালি বা আলোক বর্ণালি হচ্ছে তড়িচ্চুম্বকীয় বর্ণালীর সেই অংশ যা মানুষের চোখে দৃশ্যমান অর্থাৎ যা মানুষের চোখ চিহ্নিত করতে পারে। এই তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সীমার তড়িচ্চুম্বকীয বিকিরণকে দৃশ্যমান আলো বা শুধু আলো বলে অভিহিত করা হয়।
এ বর্ণালিতে আমরা সকল রঙ দেখতে পারি কারন এরা ভূমির উপরে বাতাসের মাধ্যমে ভ্রমণ করে।
কিন্তু পানির নিচে দীর্ঘ আলোক তরঙ্গ ভ্রমন করতে পারেনা বলে এখানে আলোক তরঙ্গের ভ্রমণ ও ভিন্ন ভাবে হয়।
বেশিরভাগ জৈব-দ্যুতি নীল-সবুজাভ আলো হয়ে থাকে কারণ এই রঙগুলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম বলে এরা খুব গভীর আর কম গভীরের পানিতে ভ্রমন করে ফলে আমরা এই রঙগুলো সহজেই দেখতে পাই।

কখন দেখতে পাওয়া যায়ঃ
সাধারণত জৈব-দ্যুতি দেখার মোক্ষম সময় হলো সূর্য ডোবার পর থেকে দুই ঘন্টার মধ্যে অন্ধকারাচ্ছন্ন সমুদ্র সৈকতে, তবে দেখা যাবে এই গ্যারান্টি কেউ দিতে পারে নাই।

কোথায় কোথায় দেখা যায়ঃ
>Puerto Mosquito, Vieques, Puerto Rico

>Halong Bay, Vietnam
>Waitomo, New Zealand
>Springbrook Park, Australia
>San Juan Island, Washington, U.S
>Mission Bay, San Diego, CA
>Toyama Bay, Japan
Big South Fork, TN/KY
>Ton Sai ,Krabi, Thailand ইত্যাদি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com