Logo
শিরেোনাম ::
বাবা দিবসে বীর মুক্তিযোদ্ধা বাবার কাছে কন্যার খোলা চিঠি শাহজাদপুরে কোটি টাকায় ২ কিলো রাস্তায় মাটি ভরাট -১৫ হাজার মানুষের চলাচলে চরম দূর্ভোগ করোনা রোগীদের অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডাঃসবুজ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ সিলেট বিভাগীয় কমিটি গঠ কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে ভেজাল বিটুমিন তৈরি কারখানায় অভিযান মালিক সহ ২জনকে কারাদন্ড এ্যাডভোকেট এ এম মোয়াজ্জেম হোসেন’র মৃত্যু বার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের শ্রদ্ধা নিবেদন পটিয়া জিরি ইউনিয়নে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে কেন্দ্রীয় নেতা বদিউল আলম প্লাস্টিক বর্জ্য সামুদ্রিক ও জলজ জীবনের সবচেয়ে বড় হুমকি কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কাশিনগর বাজারে নিরাপত্তার স্বার্থে সিসি ক্যামেরা উদ্বোধন কবিতাঃ “একটি স্বচ্ছ হৃদয়”

প্রধানমন্ত্রীর সই জালিয়াতি করা মুমিনকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার

রিপোর্টারের নাম / ১৩৯ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ৯ মে, ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদনঃ প্রধানমন্ত্রীর নথি জালিয়াতির মামলায় রিমান্ডে নেয়া ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম মুমিনকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার (৯ মে) বিকেরে ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এ বিষয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় বলেন, ছাত্রলীগ কখনোই কোন অপরাধীকে সংগঠনে রাখেনি।তরিকুল ইসলাম মুমিনকেও ছাত্রলীগ থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। ছাত্রলীগে কোন অপরাধীর স্থান নেই। অপরাধ করে ছাত্রলীগের কোন পদেই থাকা যাবে না।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে নথি বের করে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত বদলে দেওয়ার অভিযোগের মামলায় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয়সহ-সভাপতি তরিকুল ইসলাম মুমিনকে ভোলা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শুক্রবার তরিকুলের সঙ্গে মামলার অপর দুই আসামি ফরহাদ ও নাজিম উদ্দিনকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডে চায় পুলিশ। আদালত প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বর্তমানে আসামিরা রিমান্ডে রয়েছেন।

গত ৫ মে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক-৭ মোহাম্মদ রফিকুল আলম বাদী হয়ে তরিকুল, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিস সহকারী ফাতেমা ও ফরহাদ নামে তিনজনকে আসামি করে তেজগাঁও থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোষাধ্যক্ষ পদে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম এনামুল হক, বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মো. আব্দুর রউফ এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালের সাবেক কোষাধ্যক্ষ অবসরপ্রাপ্ত এয়ার কমোডর এম আবদুস সালাম আজাদের নাম প্রস্তাব করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নথি পাঠানো হয়।

এই নথি প্রধানমন্ত্রীর সামনে উপস্থাপন করার পর তিনি অধ্যাপক ড. এম এনামুল হকের নামের পাশে টিক চিহ্ন দেন। পরে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য নথিটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর প্রস্তুতি পর্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অফিস সহকারী ফাতেমার কাছে এলে তিনি এম আবদুস সালাম আজাদ অনুমোদন পাননি বলে ফোনে তরিকুলকে জানিয়ে দেন।

এরপরেই তরিকুলের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নথিটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কৌশলে বের করে ফরহাদ নামে একজনের হাতে তুলে দেন ফাতেমা। এরপর সেই নথিতে তরিকুল ড. এম এনামুল হকের নামের পাশে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া টিক চিহ্নটি ‘টেম্পারিং’ করে সেখানে ক্রস চিহ্ন দেন।

একইভাবে অধ্যাপক মো. আব্দুর রউফের নামের পাশে ক্রস চিহ্ন দিয়ে এয়ার কমোডর এম আবদুস সালাম আজাদের নামের পাশে টিক চিহ্ন দেন। প্রায় এক মাস আগে নথিটি রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে পাঠানো হয়।

এই নথি হস্তান্তরের আগে ফাতেমা ১০ হাজার টাকা বিকাশের মাধ্যমে গ্রহণ করেন এবং হস্তান্তরের পরে আরেক দফায় ১০ হাজার টাকা তার ছেলের বিকাশ একাউন্টের মাধ্যমে নেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com