Logo
শিরেোনাম ::
রাজশাহীতে নির্মাণ করা হচ্ছে শেখ রাসেল শিশুপার্ক কঠোর লকডাউন অমান্য করে অবৈধ মেলা- ১ লাখ টাকা জরিমানা লালমাইয়ে ভুল চিকিৎসায় নারীর গর্ভপাত বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক হচ্ছে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলায় সংসদ সদস্য জনাব শাহে আলম এর জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রলীগের দোয়া মাহফিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে “প্রবাসী সমাজ কল্যাণ তহবিল” এর ঈদ সামগ্রী বিতরণ জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বাসীকে ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা জানান এড. মাহফুজুর রহমান মোঃ নাসির উদ্দিনের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কাছে ৭০০০ মাক্স উপহার গোমস্তাপুরে জিনিয়াস ওয়েলফেয়ার এ্যাসোসিয়েশন এর আয়োজনে করোনা টিকা রেজিস্ট্রেশনের ফ্রি ক্যাম্পেইন রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ শাখার মাস্ক বিতরণ কর্মসূচী

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক হচ্ছে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলায়

মাসঊদ জালাল খান, জুড়ী প্রতিনিধি / ৫৬ বার
আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২০ জুলাই, ২০২১

জুড়ী প্রতিনিধি :: ডুলাহাজারা ও গাজীপুরের পর মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলায় দেশের তৃতীয় সাফারি পার্ক স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন অনুমোদন করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।

৫ হাজার ৬৩১ একর বনভূমির ওপর নির্মিতব্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদনের ওপর বিস্তারিত আলোচনার পর প্রয়োজনীয় সংশোধন সাপেক্ষে সোমবার (১৯ জুলাই) এ অনুমোদন দেয়া হয়।

বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ-সংক্রান্ত ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন এমপি। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামাল।

অন্যান্যের মধ্যে অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) আহমদ শামীম আল রাজী, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসন, জুড়ী উপজেলা পরিষদের প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। সম্ভাব্যতা যাচাই কমিটির টিম লিডার ড. তপন কুমার দে প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন।

সভায় বন ও পরিবেশমন্ত্রী বলেন, সম্ভাব্যতা যাচাই প্রতিবেদন অনুযায়ী অন্যান্য এলাকার চেয়ে লাঠিটিলায় সাফারি পার্ক স্থাপন অধিক সুবিধাজনক ও বাস্তবভিত্তিক। এলাকার মানুষের ঐকমত্যের ভিত্তিতেই জুড়ী উপজেলার লাঠিটিলায় এ সাফারি পার্ক প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। এখানে সাফারি পার্ক স্থাপিত হলে বনভূমি অবৈধ দখল থেকে রক্ষা পাবে। জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের মানের উন্নয়নে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত পর্যটকরা এ সাফারি পার্কে এসে বিভিন্ন দেশী-বিদেশী প্রাণীর সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে সরকারি এ বনভূমির অভ্যন্তরে অবৈধভাবে বসবাসরত পরিবারগুলোর মধ্যে ৫৮টি পরিবারকে যথাযথ প্রক্রিয়ায় পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। অবশিষ্ট পরিবারগুলোর সমন্বয়ে ইকোভিলেজ প্রতিষ্ঠা করা হবে।

পুনর্বাসন প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সম্পন্ন করে সাফারি পার্ক স্থাপনের কাজ দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য মন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

উল্লেখ্য, মৌলভীবাজার জেলা শহর থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব, মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণ এবং লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের ৫০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত হওয়ায় পর্যটকদের জন্য এ সাফারি পার্কে ভ্রমণ সুবিধাজনক হবে। বর্তমানে ২০৯ প্রজাতির প্রাণী এবং ৬০৩ প্রজাতির উদ্ভিদ সম্পন্ন প্রস্তাবিত এলাকায় সাফারি পার্ক স্থাপিত হলে এখানে আরও অধিক প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণীর সম্মিলন ঘটানো হবে। এতে জুড়ী উপজেলা অনন্য মর্যাদা ও পর্যটন এলাকায় পরিণত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com