Logo
শিরেোনাম ::
করোনা রোগীদের অক্সিজেন সিলিন্ডার দিলেন রাজশাহী মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডাঃসবুজ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট অব বাংলাদেশ সিলেট বিভাগীয় কমিটি গঠ কুমিল্লা চৌদ্দগ্রামে ভেজাল বিটুমিন তৈরি কারখানায় অভিযান মালিক সহ ২জনকে কারাদন্ড এ্যাডভোকেট এ এম মোয়াজ্জেম হোসেন’র মৃত্যু বার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু আইন ছাত্র পরিষদের শ্রদ্ধা নিবেদন পটিয়া জিরি ইউনিয়নে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় পরিবারের পাশে কেন্দ্রীয় নেতা বদিউল আলম প্লাস্টিক বর্জ্য সামুদ্রিক ও জলজ জীবনের সবচেয়ে বড় হুমকি কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কাশিনগর বাজারে নিরাপত্তার স্বার্থে সিসি ক্যামেরা উদ্বোধন কবিতাঃ “একটি স্বচ্ছ হৃদয়” ডুয়েট উপাচার্যের সাথে ‘করিমগঞ্জ প্রতিবন্ধী স্কুল’ এর প্রতিনিধিবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ‘করিমগঞ্জ প্রতিবন্ধী স্কুল’ এর পক্ষ থেকে ডুয়েট উপাচার্যকে মাস্ক উপহার

ডাক্তার-নার্সদের ভাবনায় মুক্তচিন্তা

অনিন্দ্য বৈদ্য সানি / ১৯৮ বার
আপডেট সময় : শনিবার, ১৬ মে, ২০২০

মুক্তচিন্তাঃ অনিন্দ্য বৈদ্য সানি।

আমি অনিন্দ্য বৈদ্য সানি চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য।
নিজেকে ছাত্রলীগের নেতা পরিচয় দেয়ার চাইতেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বেড়ে ওঠা কর্মী পরিচয় দিতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি।
বিশ্বের চলমান করোনা ভাইরাস যা মহামারীতে রূপ নিয়েছে তা অন্যদের মত আমাকেও ভাবিয়ে তুলেছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মমতাময়ী মা দেশরত্ন শেখ হাসিনার বিচক্ষণ পরিচালনার জন্য আমাদের মত ঘনবসতিপূর্ণ দেশে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে তা অনস্বীকার্য।
তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সবচেয়ে বেশি যাদের অবদান তারা হলেন চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যসেবা দেয়া কর্মীরা। তাছাড়া হোম কোয়ারান্টাইন পরিস্থিতি বাস্তবায়নে প্রশাসনের অবদান ও অনস্বীকার্য। তবে করোনা রোগীদের সেবাদানে সরাসরি যুক্ত চিকিৎসক ও নার্সরা। তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত লড়ে যাচ্ছেন করোনা রোগীদের সেবাদানে। তাছাড়া পর্যাপ্ত পরিমান সুরক্ষা পোশাক না থাকাতে তাদের জীবন আরো ঝুঁকিতে পড়ছে। ১৯৭১ সালে যেভাবে যুদ্ধ করে মুক্তিযোদ্ধারা দেশকে স্বাধীন করেছিল তদ্রূপ চিকিৎসক, নার্স এই করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে নিজেদের জীবন বাজি রেখে করোনা রোগীদের সেবাদানের মাধ্যমে দেশকে করোনা নামক অদৃশ্য অপশক্তি হতে মুক্ত করতে অঘোষিত যুদ্ধ করে চলেছে। তবে জাতির এই সূর্য সন্তানরা যখন মানব সেবা দিয়ে যাচ্ছে তখন তাদের পড়তে হচ্ছে সমাজের অদ্ভুত নির্মমতার।
আমার আপনাদের যেমন পরিবার রয়েছে ; প্রতিটা চিকিৎসক,নার্সদের পরিবার রয়েছে। তারাও একটি সমাজে বসবাস করে।
কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে যাদের অবদান অনস্বীকার্য তাদের নিয়ে সমাজের নিচু মনমানসিকতার মানুষদের মাথাব্যথার শেষ নাই। বিভিন্ন রোগ হলে যাদের শরণাপন্ন হই আমরা, তাদেরকেই হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে এখন। বিভিন্ন খবরে কাগজে প্রতিনিয়ত চিকিৎসক, নার্সদের বাসা বাড়ি থেকে বিভিন্ন অসাধু বাড়িওয়ালা বাসা ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে। যেখানে চিকিৎসক, নার্সরা নিজের কর্মস্থলেও জীবনের ঝুঁকিতে থাকে সেখানে একটু শান্তির স্থান তাদের বাসাতেও তারা নিরাপদ নয়। দেশের এই সূর্য সন্তানদের নিরাপত্তার দায়িত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ছাড়া কখনো নেয়া সম্ভব নয়। তাদের জীবন বীমা,সুরক্ষা পোশাক ও সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা ইতিমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নিয়েছেন। তবে তা বাস্তবায়ন সঠিক ভাবে যাতে নেয়া হয় তার জন্য প্রশাসন ও সমাজের স্থানীয় নেতাদের আন্তরিক ভাবে সাহায্য করা দরকার।
কারন এই বৈশ্বিক ক্রান্তিলগ্নে নিজের জীবন বাজি রেখে সেবাদান করে যাওয়া চিকিৎসক,নার্সদের অবহেলা করলে সৃষ্টিকর্তা কখনো আমাদের ক্ষমা করবেন না।
তাই যত দ্রুত সম্ভব তাদের জন্য নেয়া গৃহীত পদক্ষেপ দ্রুত বাস্তবায়ন করার আহ্বান করছি।
জয় বাংলা।
জয় বঙ্গবন্ধু।
জয়তু শেখ হাসিনা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর
Theme Created By ThemesDealer.Com